অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে,কুড়িগ্রাম রাজারহাট উপজেলার উমর মজিদ ইউনিয়নের গলাকাটা বাজারে কেনা সম্পত্তিতে প্রায় ১০ বছর ধরে চা দোকানের ব্যবসা করে আসছিল আব্দুল মান্নান।ক্রয়সুত্রে বর্তমান জবরদখল কৃত ব্যক্তি মোঃ হানিফের বাবার কাছ ১০ বছর পূর্বে দলিল করে নিয়েছিলেন তিনি । সরকার পতনের পর চা দোকানে আলাপচারিতায় দুজনের মধ্যে দ্বন্ধ শুরু হয়।এরই জেরে আওয়ামী লীগের দোসর বানিয়ে অজ্ঞাত মামলার আসামী করে হাজতে পাঠান হানিফ।
গত মঙ্গলবার মোঃ আব্দুল মান্নানকে পুলিশ আটক করলে ওই দিন সকালে কোন নোটিশ ছাড়া দোকানটি নিজের দখলে নেন।পরে ওই দোকানে টেবিল ব্রেঞ্চ সরিয়ে নাম মাত্র তিনটি ধানের বীজের প্যাকেট, ৪ টি ইউরিয়া সারের বস্তা নিয়ে দোকানে বসে পড়েন হানিফ। মোঃ হানিফ ওই ওয়ার্ডের বিএনপি যুবদলের সেক্রেটারি হওয়ায় রাজনীতির ক্ষমতা বলে দোকান দখল করেছেন বলে জানান স্থানীয়রা।এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে নিজের দোকান ফেরৎ চান ভুক্তভোগীরা।
উমর মজিদ ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি মোঃ আব্দুর রউফ বলেন,আঃ হানিফ যদি অপরাধ করে থাকে তাকে ওই দোকান থেকে বের করে দেয়া হবে।
স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ আফজাল হোসেন বলেন, হানিফের বাবা আঃ মান্নানের কাছে জমি বিক্রি করেছে।সাবেক দাগ ঠিক আছে তবে হালনাগাদ দাগের ভুলের সুযোগ নিয়ে হানিফ দোকান দখল করা ঠিক হয় নাই। এটা বসে সমাধান করা যেত।ক্ষমতা দেখিয়ে কাউকে জোরজবরদস্তি করা ঠিক না।
বাজার সমিতির সভাপতি দুলাল মন্ডর বলেন,এ ঘটনায় দু বার সালিশ করা হলেও হানিফ সে শালিসে আসে নাই।উপরন্তু ক্ষমতার অপব্যবহার করেছে।
আব্দুল হানিফ বলেন,কাগজ পত্রে জমি আমার, এত বছর ওরা গায়ের জোরে দোকান করেছিল।এখন সময় এসেছে আমার দোকানে আমি বসেছি।
কুড়িগ্রাম রাজারহাট থানার অফিসার ইনচার্জ রেজাউল করিম রেজা বলেন,এ ঘটনায় অভিযোগের প্রেক্ষিতে পুলিশ সরেজমিন তদন্ত করেছে।অপরাধী যে হোক কোন ছাড় নেই। তবে
এ বিষয়ে স্থানীয়ভাবে আবার সালিস বৈঠক করার কথা শুনলাম বলে জানান তিনি।