
প্রিন্ট এর তারিখঃ সেপ্টেম্বর ১, ২০২৬, ৬:০৫ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ ডিসেম্বর ১৩, ২০২৪, ৮:৪৫ পি.এম
গঙ্গাচড়ায় গণহত্যা দিবসে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস স্মরণ

দিবসটি পালনে 'চলো হাসি ছড়াই' নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন মুক্তিযুদ্ধে ২২ জন শহীদের স্মরণে আজ শুক্রবার শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ, মোমবাতি প্রজ্বালন, আলোকচিত্র প্রদর্শনসহ আলোচনা সভার আয়োজন করেছে। ১৯৭১ সালের আজকের এই দিনে (১৩ ডিসেম্বর) গঙ্গাচড়া উপজেলার শংকরদহ গ্রামে ঘটে নারকীয় হত্যাযজ্ঞ। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন হানাদার বাহিনীর বুলেটে নিহত হন ২২ জন। তবে স্বাধীনতার ৫৩ বছর পেরিয়ে গেলেও তাদের স্মরণে গড়ে ওঠেনি কোনো স্মৃতিসৌধ। ইতিহাসের পাতায় তাদের নামও অঙ্কিত হয়নি । শহীদ পরিবারের সদস্যরা অংশ নিয়ে দিবসটির স্বীকৃতির দাবি জানিয়েছেন ।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নিহত ২২ জনের মধ্যে অনেকের স্ত্রী, সন্তানসহ স্বজনরা দিনমজুরি, রিকশাভ্যান চালিয়ে কিংবা অন্যের সহযোগিতায় জীবনযাপন করছেন। বিভিন্ন জায়গায় ধরনা দিয়েও ফল পাননি তারা। স্বাধীনতার পর এত বছর পার হলেও তাদের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়নি। নিহত সহিদার রহমানের দুই ছেলে মনাহার ও মহুব আলী তিস্তা প্রতিরক্ষা বাঁধের গান্নারপাড় এলাকায় আশ্রয় নিয়ে দিনমজুরি করেন। সে দিনের কথা বলতে গিয়ে কেঁদে ফেলেন তারা। মহুব আলী বলেন, 'লোকজন ছিল না। আমি একাই বাবার বুলেটবিদ্ধ লাশ ঘাড়ে করে নিয়ে যাই বাড়িতে। কেউ আমাদের সান্ত্বনা দিতেও আসেনি। দেশ স্বাধীনের পর পরিবারগুলোকে সহায়তা করেনি কেউ।'
অনুষ্ঠানে সাংবাদিক স্বপন চৌধুরীর সভাপতিত্বে আদনান সামীর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে গঙ্গাচড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদ হাসান মৃধা বলেন, শহীদদের আত্মত্যাগ জাতির জন্য অমূল্য সম্পদ । তাদের পরিবারের জন্য যথাযথ স্বীকৃতি এবং সহায়তা প্রদানের দায়িত্ব আমাদের।আমরা তা নিশ্চিত করব।, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, গঙ্গাচড়া মডেল থানা অফিসার ইনচার্জ আল এমরান , বীর মুক্তিযোদ্ধা ওবায়দুল্লাহ, ওয়ারেছ আলী, গঙ্গাচড়া প্রেসক্লাবের সভাপতি সাজু মিয়া লাল, শহীদ পরিবারের সদস্য ও সাংবাদিকবৃন্দসহ অনেকেই।
প্রকাশক ও সম্পাদক- মোঃ হযরত আলী, নির্বাহী সম্পাদক- মোঃ মেহেদী হাসান
বার্তা সম্পাদক- এস এম ইকবাল সুমন । অফিস- গোমস্তাপাড়া, রংপুর-৫৪০০ । মোবাইল- ০১৮৯৬ ৪৩২৭০১
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী | Developed BY Rafi It Solution