
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীর বিভিন্ন চরাঞ্চল এখন সরিষা ফুলের হলুদ রঙে ভরে উঠেছে। দিগন্তজোড়া হলুদ রঙ দেখে মনে হয় প্রকৃতি যেন হলদে শাড়ি পড়ে সেজেছে। স্বল্প মেয়াদী ও দুই ফসলের আবাদের মাঝে চাষযোগ্য এ ফসল চাষ করে লাভবান হচ্ছেন কৃষক। কম খরচে চাষ করা সরিষা স্থানীয় ভোজ্য তেলের চাহিদা মেটাচ্ছে। চরাঞ্চল, নদ-নদীর তীর ও নিচু এলাকায় চাষ হচ্ছে সরিষা।
স্থানীয় দেশী জাত ও বারী জাতের সরিষা চাষ হয়েছে বেশী। বিঘে প্রতি হাল চাষ, সার ও বীজ খরচ বাবদ খরচ হয় ২হাজার টাকা। ফলন ভাল হলে ৫ থেকে ৬ মণ সরিষা পাওয়া যায়। বাজার ভালো থাকলে দ্বিগুণ মুনাফা পায় কৃষক।
উপজেলার বল্লভের খাষ ইউনিয়নের চর কৃষ্ণপুর এলাকার কৃষক শহিদুল ইসলাম জানান, আমন ধান তোলার পর পতিত ক্ষেতে সরিষার চাষ করা হয়। সরিষা তুলে সেই ক্ষেতে ইরি চাষ করা যায়। ফলে এই মাঝের সময়টুকু ক্ষেত ফেলে না রেখে সবাই সরিষা চাষ করেন।
কৃষক হবিবর রহমান, আবুল হোসেন জানান, সরিষা আবাদ আগে থেকেই এ অঞ্চলে জনপ্রিয়। নিজেদের ভোজ্য তেলের জন্য চাষ করে থাকলেও এখন বাণিজ্যিক আকারে চাষ হচ্ছে। সরিষা বিক্রির টাকা দিয়ে পরবর্তি ইরি ধানের আবাদ তোলা যায়।
নাগেশ্বরী কৃষি দপ্তর সুত্রে জানা যায়, এবার উপজেলায় এবার ৪ হাজার ৫৫০ হেক্টর জমিতে সরিষা চাষ হয়েছে। যা গত বছরের চেয়ে ৩৯৫ হেক্টর জমিতে সরিষা আবাদ বেশী হয়েছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শাহরিয়ার হোসেন জানান, চরাঞ্চল ও নিচু এলাকার দোয়াশ মাটিতে সরিষার আবাদ ভালো হয়। আর সরিষা আবাদ করে কৃষকের লাভবান হচ্ছেন। স্থানীয় ভোজ্য তেলের চাহিদা মিটছে। তেলের আমদানী নির্ভরতা কমাতে কৃষকদের সরিষা চাষে উৎসাহিত করা হচ্ছে।
প্রকাশক ও সম্পাদক- মোঃ হযরত আলী, নির্বাহী সম্পাদক- মোঃ মেহেদী হাসান
বার্তা সম্পাদক- এস এম ইকবাল সুমন । অফিস- গোমস্তাপাড়া, রংপুর-৫৪০০ । মোবাইল- ০১৮৯৬ ৪৩২৭০১
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী | Developed BY Rafi It Solution