
প্রিন্ট এর তারিখঃ জুলাই ১, ২০২৬, ৪:১৩ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ ফেব্রুয়ারী ১৮, ২০২৫, ১১:০৯ পি.এম
তিস্তা কেন্দ্রীক ভারতীয় বৈষম্যের বিরুদ্ধে মহিপুরে মশাল জ্বালিয়ে প্রতিবাদ

রংপুরের গঙ্গাচড়ার মহিপুর পয়েন্টে তিস্তার পানির ন্যায্য হিস্যার ক্ষেত্রে ভারতীয় বৈষম্যের প্রতিবাদে মশাল প্রজ্জ্বলন কর্মসূচি পালন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টার দিকে ‘জাগো বাহে, তিস্তা বাঁচাই’ আন্দোলনের দ্বিতীয় দিনে এই কর্মসূচি পালিত হয়। এতে কৃষক, জেলে, শ্রমজীবী মানুষসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
মশাল প্রজ্জ্বলনের আগে স্থানীয় বাসিন্দারা হাঁটু পানিতে নেমে প্রতীকী প্রতিবাদ জানান। তারা দাবি করেন, ভারতের একতরফা পানি নিয়ন্ত্রণের কারণে তিস্তা নদী আজ অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে। এ সময় তারা উচ্চস্বরে স্লোগান দেন—“ভারতের আগ্রাসন মানি না, মানব না” “তিস্তা আমার মা, ভারতের হতে দিব না” “জাগো বাহে, তিস্তা বাঁচাই” “জিয়ার মতো কোদাল ধরো, তিস্তা নদী খনন করো”।
প্রতিবাদকারীরা বলেন, ভারত তার উজানের বাঁধগুলোর মাধ্যমে তিস্তার স্বাভাবিক প্রবাহ আটকে দিয়েছে, যা কৃষি ও জীববৈচিত্র্যের ওপর ভয়াবহ প্রভাব ফেলছে। শুষ্ক মৌসুমে পানি না দিয়ে বর্ষায় অতিরিক্ত পানি ছেড়ে বাংলাদেশে বন্যা সৃষ্টি করা হচ্ছে, যা ভারতের সুপরিকল্পিত আগ্রাসনেরই অংশ।
তিস্তার পানির ন্যায্য হিস্যা আদায় ও তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবিতে সোমবার থেকে শুরু হয়েছে ৪৮ ঘণ্টার লাগাতার কর্মসূচি। এর অংশ হিসেবে গঙ্গাচড়ার মহিপুর পয়েন্টসহ তিস্তা তীরবর্তী পাঁচ জেলার ১১টি স্থানে অবস্থান কর্মসূচি পালিত হয়েছে।
বিএনপির নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি হাজারো সাধারণ মানুষ এই কর্মসূচিতে অংশ নেন। বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা বলেন, "ভারতের পানি আগ্রাসন রুখতে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়াতে হবে।" তারা জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক মহলের হস্তক্ষেপ কামনা করেন, যাতে তিস্তা নদীর পানির সুষ্ঠু বণ্টন নিশ্চিত হয়।
প্রকাশক ও সম্পাদক- মোঃ হযরত আলী, নির্বাহী সম্পাদক- মোঃ মেহেদী হাসান
বার্তা সম্পাদক- এস এম ইকবাল সুমন । অফিস- গোমস্তাপাড়া, রংপুর-৫৪০০ । মোবাইল- ০১৮৯৬ ৪৩২৭০১
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী | Developed BY Rafi It Solution