

উত্তরের জেলা দিনাজপুর হচ্ছে লিচুর রাজ্য। দেশব্যাপী লিচুর জন্য বিখ্যাত এ জেলায় দিন দিন লিচু চাষ বেড়েই চলেছে। প্রতিটি লিচু গাছের শাখায় শাখায় শোভা পাচ্ছে থোকায় থোকায় মুকুল। গাছে মুকুল আসার সাথে সাথে চাষীরা গাছ পরিচর্যা নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। এখন সারা দেশে কম বেশী লিচু চাষ হলেও এ জেলার লিচু সুস্বাদু হওয়ায় এর কদরই আলাদা। রসালো ফল লিচু, অনেকের কাছে রসগোল্লা হিসেবে পরিচিত। এ জেলার লিচু সুমিষ্ট, সুস্বাদু ও রসালো। লিচু বাগানগুলোতে ফুল আসতে শুরু করেছে। ফুলে ফুলে ছেয়ে যাচ্ছে বাগানের প্রতিটি গাছ। সবুজ পাতার ফাঁকে উঁকি দিচ্ছে লিচুর মুকুল। ফুলের ঘ্রাণ ছড়িয়ে পড়েছে চারদিকে। বাগান মালিকরা আশা করছেন, চলতি মৌসুমে লিচুর বাম্পার ফলন হবে।
কৃষি অধিদপ্তর জানিয়েছে, এবার জেলায় ৫ হাজার ৪০০ হেক্টর জমিতে লিচুর চাষ হচ্ছে। এর মধ্যে খানসামায় ১৪৫ হেক্টর জমিতে রয়েছে। খানসামা উপজেলার বিভিন্ন লিচু বাগান, রাস্তা ও বসত বাড়ি ঘুরে দেখা যায়, প্রতিটি লিচু গাছে মুকুল আসতে শুরু করেছে। লিচু গাছের গোড়ায় পানি সেচ দিচ্ছে বাগান মালিকরা। পোকামাকড়ের আক্রমণ থেকে রক্ষার জন্য স্প্রে করছেন তারা। বাগান মালিকরা স্বপ্ন দেখছেন, এবার লিচুর বাম্পার ফলন হবে।
খানসামা উপজেলার খামারপাড়া গ্রামের লিচু বাগান মালিক ইসমাইল হোসেন বলেন, আমার লিচুর বাগানে ৪৫০ লিচু গাছ আছে। বাগানে চায়না থ্রি ও বোম্বে জাতসহ বিভিন্ন লিচুর গাছ আছে। প্রতিটি গাছে পর্যাপ্ত মুকুল আসতে শুরু করেছে। বাগানে পানি সেচ দিচ্ছি এবং পোকামাকড়ের আক্রমণ থেকে রক্ষা করার জন্য স্প্রে ব্যবহার শুরু করেছি। আশা করছি গত বছরের চেয়ে এবারের লিচুর ভালো ফলন পাবো।
খানসামা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইয়াসমিন আক্তার বলেন, কমবেশি প্রতিটি গাছে লিচুর মুকুল এসেছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে, আশা করছি লিচুর ভাল ফলন হবে।
প্রকাশক ও সম্পাদক- মোঃ হযরত আলী, নির্বাহী সম্পাদক- মোঃ মেহেদী হাসান
বার্তা সম্পাদক- এস এম ইকবাল সুমন । অফিস- গোমস্তাপাড়া, রংপুর-৫৪০০ । মোবাইল- ০১৮৯৬ ৪৩২৭০১
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী | Developed BY Rafi It Solution