

দিনাজপুরের খানসামায় বাজারে বেগুন, শসা ও লেবু চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে। রমজান এবং গরমকে কেন্দ্র করে ভোক্তা পর্যায়ে চাহিদা বেড়েছে লেবুর। এ অবস্থায় লেবুর দাম কয়েকগুণ বাড়িয়েছেন ব্যবসায়ীরা। গত সপ্তাহেও যে লেবুর দাম ছিল ১০-১২ টাকা হালি, সেটি এখন কিনতে সর্বনিম্ন গুনতে হচ্ছে ৪০ টাকায়। আর আকার-আকৃতি, জাত ও মানভেদে হালিপ্রতি লেবু ৪৫, ৫০ টাকাও দাম চাওয়া হচ্ছে।
রমজানকে কেন্দ্র করে ব্যবসায়ীরা অতিরিক্ত দামে পণ্য বিক্রি করছেন বলে অভিযোগ ক্রেতাদের। অন্যদিকে বিক্রেতারা বলছেন, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম হওয়ায় দাম বেড়েছে।সোমবার (৩ মার্চ) বিকেলে খানসামা উপজেলার পাকেরহাট বাজারে সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, মাহে রমজানের আগের যেই লেবু বাজারে ১ হালি (৪টা) লেবু ১০-১২ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। যা অতীতের যে কোন রেকর্ড ভঙ্গ করেছে বলে মনে করছেন সকলে। অনুরুপ ভাবে দুদিন আগে ৪০ টাকার বেগুন বেড়ে ৬০ টাকায়, শশা বেড়ে ৪৫ টাকা এবং কাঁচা মরিচ যা গত ৩ দিনের ব্যবধানে ৪০ টাকা বেড়ে আজকে ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এদিকে পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীরা জানান, বেগুন, শসা ও লেবু, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম। এজন্য দাম বেড়েছ। শীতকালীন সবজি শেষ হচ্ছে। বেগুন, শসার ও লেবুর সরবরাহ বাড়লে দাম কমবে।
তবে ব্যবসায়ীদের এসব কথা ক্রেতাসাধারণ মানতে নারাজ। তারা দাবী জানিয়েছে রমজান মাসে নিয়মিত বাজার মনিটরিং ব্যবস্থা চালু করে বাজারের দাম নিয়ন্ত্রণের। এ ছাড়াও রমজানকে কেন্দ্র করে বেড়েছে ফলের দামও।রমজানের ২ দিনে পাকের হাট অটো স্ট্যান্ড ফলের বাজার ঘুরে দেখা যায়, গত সপ্তাহে যে আপেল ২৫০ থেকে ২৬০ টাকায় বিক্রি হতো এখন তা ২৮০ থেকে ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে । এমনকি আঙ্গুর ফলের দামও বেড়ছে কেজিতে ৫০ টাকা।
পাকেরহাট বাজারে আসা ক্রেতা শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘রোজার মাসে বেগুন, শসা ও লেবুর চাহিদা বেশি থাকে। এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে দাম বৃদ্ধি করেছেন ব্যবসায়ীরা। সাধারণ মানুষরা শুধু ব্যবসায়ীদের কাছে জিম্মি হই।’ আঙ্গারপাড়া ইউনিয়নের বাসিন্দা ফারুক হোসেন বলেন, ‘রোজায় বেশিরভাগ মধ্যবিত্ত পরিবার লেবুর শরবত দিয়ে ইফতার করে। কিন্তু এবার লেবুর দাম বেশির কারণে ইফতার থেকে লেবুর শরবত বাদ দিতে হবে। এক হালি লেবুর দাম ডিমের দামের থেকেও বেশি। বাজার নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্টদের সুনজর দেওয়া দরকার।’
প্রকাশক ও সম্পাদক- মোঃ হযরত আলী, নির্বাহী সম্পাদক- মোঃ মেহেদী হাসান
বার্তা সম্পাদক- এস এম ইকবাল সুমন । অফিস- গোমস্তাপাড়া, রংপুর-৫৪০০ । মোবাইল- ০১৮৯৬ ৪৩২৭০১
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী | Developed BY Rafi It Solution