আলী হোসেন আরো বলেন, হামলাকারীরা তার বোন জামাই সাব্বিরের প্যান্টের পকেট থেকে ৭,৫০০ টাকা, বোন অনামিকার গলা থেকে চার আনা ওজনের স্বর্ণের চেইন ও পাঁচ আনা ওজনের কানের দুল, স্ত্রী ময়না বেগমের কান থেকে চার আনা ওজনের স্বর্ণের দুল এবং ভাগ্নে রাহুলের পকেট থেকে ৩,২০০ টাকা ছিনিয়ে নেয়। এছাড়াও তার নিজস্ব পাগলু গাড়ির হেডলাইট ভেঙে ১৫০০ টাকার ক্ষতি করা হয়েছে বলে তিনি জানান।
তাদের চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করে।
এদিকে, এই ঘটনার পর দর্শনার্থীরা ঐতিহাসিক আমগাছ দেখা বয়কটের ডাক দিয়েছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, গাছ মালিকের স্বেচ্ছাচারিতা ও তাদের লোকজনের দুর্ব্যবহার দীর্ঘদিনের।
অন্যদিকে, একই এলাকার আমজানখোর ইউনিয়ন পরিষদের স্থানীয় এক ব্যক্তি নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, আমগাছ এলাকায় দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ও গেট পাসের নির্দিষ্ট মূল্য নির্ধারণ করে সরকারি রাজস্ব আদায়ের জন্য একটি নীতিমালা করা জরুরি।
তিনি অভিযোগ করেন, গাছের মালিক ও তাদের মদদে স্থানীয় কিছু চাঁদাবাজ প্রায়ই দর্শনার্থীদের মোবাইল ও টাকা ছিনতাই করে, নারীদের উত্ত্যক্ত করে এবং ফেনসিডিল, গাঁজা ও বিদেশি মদসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্যের বিক্রি ও দালালদের দৌরাত্ম্য চলে। বছরে প্রায় দশ-বারো লাখ দর্শনার্থী এই গাছ দেখতে আসেন এবং টিকিট বিক্রি করে বিপুল পরিমাণ অর্থ আদায় করা হয়। সরকারি নীতিমালা প্রণয়ন করা হলে একদিকে যেমন রাজস্ব আদায় সম্ভব হবে, তেমনি দর্শনার্থীদের নিরাপত্তাও নিশ্চিত হবে।
বালিয়াডাঙ্গী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ শওকত সরকার বলেন, আমাদের কাছে কাছে এই বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। আমরা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।
এ বিষয়ে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা
পলাশ কুমার দেবনাথ বলেন, বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় এমন একটি দর্শনীয় স্থানে এই ঘটনাটি খুব নিন্দনীয়। এর বিরুদ্ধে আমরা শতভাগ ব্যবস্থা নিব।