
প্রিন্ট এর তারিখঃ এপ্রিল ২৫, ২০২৬, ১০:২৬ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ জুলাই ১৩, ২০২৫, ৬:২৮ পি.এম
ফুলবাড়ীতে কচুর বাম্পার ফলন, দাম ভালো থাকায় কৃষকরা লাভবান

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে আবহাওয়া অনুকূল থাকায় মুখী কচুর বাম্পার ফলন হয়েছে। শুরু দিকে উপজেলার হাটবাজার গুলোতে নতুন কচু ৭০ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে খুচরা পাইকাররা বিক্রি করেছেন। গত ১৫ দিন থেকেও ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজি ছিল মুখী কচুর। বর্তমানেও বাজারগুলোতে দাম ৩০ থেকে ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছেন খুচরা ব্যবসায়ীরা। এ বছর কচুর বাম্পার ফলন ও ভালো দাম পাওয়ায় উপজেলার কচুচাষির মুখে হাসি ফুটেছে।
উপজেলার কুরুষাফেরুষা গ্রামের কৃষক সিদ্দিক খন্দকার জানান, আমি সাত বিঘা জমিতে মুখী কচুর চাষ করেছি। গত বছরের মতো এ বছরও কচু চাষের উপযুক্ত আবহাওয়া থাকায় কচুর বাম্পার ফলন হয়েছে। সাত বিঘার মধ্যে চার বিঘা জমির কচু বিক্রি করা হয়েছে। কচু তোলা শ্রমিকের খরচ মিটিয়ে আড়াই লাখ থেকে পনে তিন লাখ টাকা বিক্রি করা হয়েছে। টানা ১৫ থেকে ২০ দিন ধরে ১ হাজার ৭০০, ১ হাজার ৬০০,১ হাজার ৫০০ টাকা দরে কচুর মন বিক্রি করা হয়েছে। বর্তমানে ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা মন বিক্রি হচ্ছে। প্রতি বিঘায় ৪৫ মন কচু হয়েছে।
বর্তমানে বাজারে এরকম দাম থাকলে তিন বিঘা জমির কচু খরচ মিটিয়ে দুই থেকে আড়াই লাখ টাকা আসবে। তিনি আরও জানান, কচু তোলা খরচ বাদে ৪ লাখ থেকে সাড়ে ৪ লাখ টাকা আসবে। সার, বীজসহ অন্যান্য খরচসহ মোট দেড় লাখ টাকা খরচ হয়েছে। এই খরচ মিটিয়ে সাত বিঘা জমিতে কচু বিক্রি করে আয় হবে ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা। টাকা আয় হতো। কচু তোলার পর ওই জমিগুলোতে পাট শাক, মুলা, লাউ, কপি ও আমন ধান চাষাবাদ করা হবে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোছা : নিলুফা ইয়াছমিন জানান, এ বছর আবহাওয়া অনুকূল থাকায় উপজেলার ৬ ইউনিয়নে ২৫ হেক্টর জমি বিভিন্ন জাতের কচুর আবাদ হয়েছে। কচু চাষের প্রতি কৃষকের দিন দিন অগ্রহ বারছে। কম খরচ ও অল্প সময়ের মধ্যে অধিক ফলন, দাম ও ভালো পাওয়ায় কচু চাষিরা লাভবান হচ্ছে। কচু তোলার পর শাক-সবজি ও আমনের চাষাবাদ করবেন চাষিরা।
প্রকাশক ও সম্পাদক- মোঃ হযরত আলী, নির্বাহী সম্পাদক- মোঃ মেহেদী হাসান
বার্তা সম্পাদক- এস এম ইকবাল সুমন । অফিস- গোমস্তাপাড়া, রংপুর-৫৪০০ । মোবাইল- ০১৮৯৬ ৪৩২৭০১
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী | Developed BY Rafi It Solution