
নওগাঁর আত্রাই উপজেলার দুইজন বিএডিসি সার ডিলারের তথ্য গোপনের বিষয়ে তদন্তে সত্যতা পেয়েছে তদন্ত দল। গত ৩০ জুন প্রকাশিত তদন্ত প্রতিবেদনে ওই দুইজন ডিলারের লাইসেন্স বাতিলের সুপারিশ করা হয়েছে। এমন ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক তোলপারের সৃষ্টি হয়েছে।
বিএডিসি রাজশাহী অঞ্চলের যুগ্মপরিচালক (সার) মো. জুলফিকার আলী স্বাক্ষরিত সুপারিশপত্রের মাধ্যমে জানা যায় যে, আত্রাই উপজেলার নওদুলী বাজারে নিয়োগকৃত বিএডিসির সার ডিলার দুই ভাই মো. সম্রাট হোসেন ও আব্দুল হালিমের বিরুদ্ধে স্থানীয়রা অভিযোগ প্রদান করে। সেই অভিযোগের প্রেক্ষিতে সরেজমিনে তদন্তে গিয়ে নওদুলী বাজারে ওই ডিলারদের সার সংরক্ষণ ও বিক্রয়ের জন্য কোন গুদাম ও বিক্রয়কেন্দ্র পাওয়া যায়নি। পরিদর্শনকালে পালসা এলাকায় অবস্থিত মেসার্স নূরবানু ফিলিং স্টেশনে সার ও বীজ বাখার মতো তাদের কোন গুদাম বা বিক্রয়কেন্দ্র পাওয়া যায়নি।
এছাড়া সারের মজুদ রেজিস্ট্রার, বিক্রয় রেজিস্ট্রার, সাইনবোর্ড ও মূল্য তালিকা তারা দেখাতে পারেননি। অপরদিকে সম্রাট হোসেন বিএডিসির বীজ ও সার ডিলার হওয়া সত্ত্বেও স্থানীয় সরকার আইন-২০০৯অনুযায়ী ডিলারশিপ প্রত্যাহার না করেই তথ্য গোপন করে ইউনিয়ন পরিষদ এর চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। যার ফলে এলাকাবাসী তার ডিলারশিপ বাতিল চেয়ে আবেদন দাখিল করেন। আত্রাই উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা প্রসেনজিৎ তালুকদার মুঠোফোনে জানান, বিএডিসির লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ হলো বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি)। স্থানীয়দের অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্ত কমিটি তাদের তদন্ত সম্পন্ন করেছেন। সুপারিশপত্রও প্রদান করেছেন। পরবর্তীতে উপজেলার ধান ও বীজ মনিটরিং কমিটি সভায় উপরের বিষয়ে যে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে তা প্রেরণ করা হবে।
এ প্রসঙ্গে আত্রাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ও উপজেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সভাপতি মো. রাকিবুল হাসান জানান, উপরের বিষয়ে পুনরায় সরেজমিনে গিয়ে পরিদর্শন সাপেক্ষে কমিটির সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত প্রেরণ করা হবে।
প্রকাশক ও সম্পাদক- মোঃ হযরত আলী, নির্বাহী সম্পাদক- মোঃ মেহেদী হাসান
বার্তা সম্পাদক- এস এম ইকবাল সুমন । অফিস- গোমস্তাপাড়া, রংপুর-৫৪০০ । মোবাইল- ০১৮৯৬ ৪৩২৭০১
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী | Developed BY Rafi It Solution