
নীলফামারী জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি এ্যাডভোকেট তুষার কান্তি রায়ের সহকারী ও জেলা আইনজীবী সহকারী সমিতির প্রবীণ সদস্য, সৈয়দপুর শহরের নতুন বাবুপাড়া এলাকার বাসিন্দা জালাল উদ্দিন ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
তিনি গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে দশটায় সৈয়দপুর ১০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর। তিনি স্ত্রী, তিন ছেলে ও এক মেয়ে, নাতি-নাতনিসহ অসংখ্যক আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু বান্ধব, শুভাকাঙক্ষী ও বহু গুনগ্রাহী রেখে গেছেন।
শুক্রবার বাদ জুম্মা সৈয়দপুর শহরের শহীদ ডা. জিকরুল হক সড়কের জামে মসজিদে তাঁর জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। তাঁর জানাজার নামাজে সর্বস্তরের বিপুল সংখ্যক মানুষ অংশ নেন। পরে মরহুমকে শহরের হাতিখানা কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, মরহুম জালাল উদ্দিন ছিলেন সৈয়দপুর পৌরসভার কর্মচারী মো. ঈশা মিঠুর বাবা।
তাঁর মৃত্যুতে নীলফামারী জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এ্যাডভোকেট আল ফারুক আব্দুল লতিফ, সাধারণ সম্পাদক আল মাসুদ চৌধুরী ও সাবেক সভাপতি এ্যাডভোকেট তুষার কান্তি রায়, এ্যাড. মো. কামরুল হাসান, এ্যাড. মো. শাহাজাহান আলী, এ্যাড. এস এম ওবায়দুর রহমান, এ্যাড. মো. ছামিউল ইসলাম, এ্যাডভোকেট হিল্লোল রায়, এ্যাড. কামরান তারেক, এ্যাডভোকেট ফায়েম আফরিদ মুমু. এ্যাড. জয়শ্রী দেব, এ্যাড. আবুল হোসেন, সৈয়দপুর ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মো. আলতাফ হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক বাবুল হোসেন সরকার, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী হাজী মো. আফতাব আলম জুবায়ের সৈয়দপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি সহকারী অধ্যাপক শওকত হায়াত শাহ, হাজারীহাট স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মো. লুৎফর রহমান চৌধুরী, সৈয়দপুর পৌরসভা সার্ভিস এসোসিয়েশনের সভাপতি মো. আবু তাহের,সাধারণ সম্পাদক মো. সুজন শাহ, রোটারী ক্লাব অব সৈয়দপুর এর সেক্রেটারী মো. মোবাশ্বের আলম এমাদি প্রিন্স, সাংবাদিক কাজী জাহিদ, এম আর আলম ঝন্টু, নজির হোসেন নজু, মিজানুর রহমান মিলন, এম ওমর ফারুক, তোফাজ্জল হোসেন লুতু, সংবাদপত্র ব্যবসায়ী মো. মজিদুল ইসলাম মন্ডল প্রমুখ শোক ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন।
প্রকাশক ও সম্পাদক- মোঃ হযরত আলী, নির্বাহী সম্পাদক- মোঃ মেহেদী হাসান
বার্তা সম্পাদক- এস এম ইকবাল সুমন । অফিস- গোমস্তাপাড়া, রংপুর-৫৪০০ । মোবাইল- ০১৮৯৬ ৪৩২৭০১
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী | Developed BY Rafi It Solution