
কুড়িগ্রামের রৌমারীতে জোরপূর্বক জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে আব্দুর রউফের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার শৌলমারী ইউনিয়নের বড়াইকান্দি মোল্লা পাড়া গ্রামে। এ ঘটনায় একাধিবার গ্রাম্য সালিশ ও থানায় অভিযোগ করেও কোনো প্রতিকার পাচ্ছেন না ভুক্তভোগি রিয়াজুল হক। কোনো প্রতিকার না পেয়ে রোববার ভুক্তভোগি রিয়াজুল হক সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগে জানান, নিজ ওয়ারিশগণের কাছ থেকে ৫৫২০, ৫৫১৯ ও ৫৫১৮ এই তিন দাগে মোট ২৭ শতাংশ জমি ক্রয়সূত্রে বসতবাড়ি করে ভোগ দখল করে আসছেন। কিন্তু সরকারি চাকরির সুবাদে তিস্তায় ভাড়া বাসা নিয়ে পরিবারসহ থাকেন
তিনি।
এই সুযোগে অবৈধভাবে তার বসতবাড়ির আংশিক জমি জবরদখল কওে এলাকার চাঁদাবাজ, ভূমিদস্যু ও মামলাবাজ একই গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুল কাইয়ুম মোল্লা ও তার সম্পর্কে বেয়াই আব্দুর রউফকে গোয়ালঘর তৈরি করে দেন। এর প্রতিবাদ করতে গেলে আমাকে ও আমার পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি দেন ওই সাবেক ইউপি সদস্য কাইয়ুম ও তার ছেলে মাদককারবারী এবং দখলবাজ আব্দুর ফসহ উভয়ের পরিবারের সদস্যরা। ুক্তভোগি রিয়াজুল হক আরও অভিযোগ করে জানান, এব্যাপারে থানায় ও আদালতে কাধিক মামলা হলে তদন্ত প্রতিবেদন আমাদের পক্ষে হয়। এছাড়াও আমার বাড়ি
থেকে তাদের জবরদখল করা জমি থেকে উচ্ছেদ করে নেওয়ার মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দয়ে আদালত থেকে সকল মামলা উঠিয়ে নিয়ে আবারও প্রতারণা ও পুরানো ষড়যন্ত্র রু করছেন জমিটি জবরদখলে রেখেছেন অভিযুক্তরা। এতে প্রতিবাদ করলে পাঁচ লাখ াকা চাঁদা দাবি করেন তারা।
অন্যথায় ৫৫১৮ দাগের ১২ শতাংশ জমিতে পুকুর খলের হুমকি দেন। এমনকি পুকুরে মাছ ধরতে গেলে লাঠি শোঠা নিয়ে ধাওয়া করেন ই অভিযুক্তরা। এতে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে জানান ভুক্তভোগি রিয়াজুল হক। স্থানীয় রহিম বাদশা, আব্দুর রশিদ ও সাবেক পুলিশ সদস্য আই হোসেনসহ নেকেই জানান, তার ওয়ারিশগণের কাছ থেকে তিন দাগে ২৭ শতাংশ জমি য়সূত্রে রিয়াজুল মালিক। সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুল কাইয়ুমের চক্রান্তে, বৈধভাবে ঘর তুলে ৩-৪ শতাংশ জমি জবর দখল করে আছেন আব্দুর রউফ। ভিযুক্ত আব্দুর রউফ বলেন, আমার বাবার জায়গা। আমি এই ভিটাতেই বাবা-মাকে নয়ে বসবাস করে আসছিলাম। বর্তমানে বাবা-মা মারা যাওয়ার পরও রয়েছি। জমির কল কাগজপত্র সঠিক রয়েছে।
সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুল কাইয়ুম মোল্লা বলেন, রিয়াজুল ও আব্দুর রউফ তারা আপন ভাই। এটা তাদের পারিবারিক বিষয়। সালিশ বৈঠকে ডাকলে যাই। এছাড়া আর ন্য কিছু জানি না। রৗমারী থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) আনোয়ার হোসেন জানান, তদন্তপূর্বক সালিশি বৈঠকের মাধ্যমে সমাধানের প্রক্রিয়া চলমান য়েছে।
প্রকাশক ও সম্পাদক- মোঃ হযরত আলী, নির্বাহী সম্পাদক- মোঃ মেহেদী হাসান
বার্তা সম্পাদক- এস এম ইকবাল সুমন । অফিস- গোমস্তাপাড়া, রংপুর-৫৪০০ । মোবাইল- ০১৮৯৬ ৪৩২৭০১
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী | Developed BY Rafi It Solution