
ঠাকুরগাঁও রাণীশংকৈল থানার সামনে গত শুক্রবার মারামারির যে ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। তার নৈপথ্যে ছিলো থানায় হওয়া বিচারে আপোষ বা সমাঝোতা না হওয়ায়। রাণীশংকৈল থানার সহকারী উপ-পরির্দশক (এএসআই) মোস্তাফিজুর রহমানের তদারকিতে এক বিচার হয়েছিল। সেই বিচার দুই পক্ষই না মানায় থানা থেকে বেরিয়ে গেটে দুই পক্ষের মারামারি হয়। মারামারির সে ভিডিও মুর্হূতেই ছড়িয়ে পড়ে।
জানা গেছে. রাণীশংকৈল উপজেলার বাচোর ইউনিয়নের জাহাঙ্গীর আলমের স্ত্রী ঝরণা আক্তার তার স্বামী জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে রাণীশংকৈল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দেন। সে অভিযোগের পেক্ষিতে রাণীশংকৈল থানার এএসআই থানায় একটি সালিশ বসান। থানা চত্বরের গোল ঘরে সালিশে দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হওয়ার পর সমাঝোতা না হওয়ায় দুই পক্ষই থানা থেকে বেরিয়ে যান। পরে জাহাঙ্গীরের সাথে তার স্ত্রীর বাড়ীর লোকজনের কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে মারামারিতে রুপ নেয়। এ সময় স্থানীয়রা এগিয়ে এসেঅনেক সময় ধরে চেষ্টা চালিয়ে মারামারি থামাতে সক্ষম হয়।
ঠাকুরগাঁও আইনজীবি সমিতির সদস্য আইনজীবি আব্দুস সোবহান বলেন, থানায় আসলে এ ধরনের বিচার শালিস করার কোন এখতিয়ার নেয়। ফৌজধারী থেকে শুরু করে সব ধরনের বিচার শালিস আদালতে হওয়ার কথা। সে বিচার যদি থানা পুলিশ করে তাহলে এটি বিচার বিভাগের সাথে সাংঘর্ষিক হয়ে যায়।
রাণীশংকৈল থানার সহকারী উপ-পরির্দশক (এএসআই) মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, স্বামী স্ত্রীর ঘটনাটি সুরাহা করার জন্যই অভিযোগের পেক্ষিতে শালিসে বসা হয়েছিল। শালিসে বিষয়টি সুরাহা না হওয়ায় তারা চলে যাওয়ার পথে থানা গেটে শুনেছি মারামারি হয়েছে।
রাণীশংকৈল থানার ওসি আমানুল্লাহ বারী বলেন, থানা গেটে মারামারির বিষয়টি তিনি শুনেছেন। তবে থানায় বিচারের বিষয়টি তিনি অবগত নন।
প্রকাশক ও সম্পাদক- মোঃ হযরত আলী, নির্বাহী সম্পাদক- মোঃ মেহেদী হাসান
বার্তা সম্পাদক- এস এম ইকবাল সুমন । অফিস- গোমস্তাপাড়া, রংপুর-৫৪০০ । মোবাইল- ০১৮৯৬ ৪৩২৭০১
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী | Developed BY Rafi It Solution