
গুজব আতংকে পেট্রোল পাম্পে (ফিলিং স্টেশন) ভীড় বাড়াচ্ছেন যানবাহন চালকরা। এরমধ্যে মোটর সাইকেল চালকদের সংখ্যাই বেশি চোখে পড়েছে বিভিন্ন পাম্পে। তবে আশানুরুপ তেল না পেয়ে ফিরে যেতে হচ্ছে চালকদের।
সরেজমিনে তেল সংকটের খবর জানতে শনিবার বিভিন্ন পাম্প ঘুরে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।
জলঢাকা সড়কস্থ বাদিয়ার মোড় এলাকায় অবস্থিত মুক্তা ফিলিং স্টেশনে গিয়ে দেখা যায় মোটর সাইকেল প্রতি দেয়া হচ্ছে ২লিটার করে তেল। অতিরিক্ত চাইলেও দেয়া হচ্ছে না। ফিলিং স্টেশন সুত্র জানায়, দৈনিক ৭হাজার লিটার তেল প্রয়োজন হয় এখানে। এরমধ্যে পেট্রোল ২হাজার ৫’শ লিটার, অকটেন ১হাজার ৫’শ লিটার ও ডিজেল ৩ হাজার লিটার।
আগে যা চাহিদা ছিলো এখোনো স্বাভাবিক তেল পাওয়া যাচ্ছে ডিপো থেকে এবং দৈনিক বিক্রিও করা হচ্ছে যানবাহনগুলোতে। পেট্রোল পাম্পের মালিক মাহমুদ চৌধুরী বলেন, মানুষ গুজবে আতংকিত হয়ে পড়েছেন। অতিরিক্ত মজুদ করার জন্য তেল সংগ্রহ করার চেষ্টা করছেন। আসলে এখন পর্যন্ত তেল সংকট তৈরি হয়নি।
তবে পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের নির্দেশনা অনুযায়ি আমরা তেল বিক্রি করছি। মুক্তা ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার আখতারুজ্জামান শাহ বলেন, মোটর সাইকেল চালকরা ভীড় করছেন তেলের জন্য। আমরা যতটুকু পাচ্ছি সরবরাহ করছি। তবে মানুষ অনেকে অতিরিক্ত নেয়ার চেষ্টা করছেন।
বাইপাস সড়কে অবস্থিত ভাই ভাই ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে আসা চড়াইখোলা ইউনিয়নের মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, আমি দুটো পাম্প ঘুরে এখানে এসেছি। আগের দুটিতে তেল পাইনি। এখানে এসে দুই লিটার পেট্রোল নিলাম।
পুলিশ সুপার শেখ জাহিদুল ইসলাম বলেন, পাম্পগুলোকে আমরা মনিটরিং করছি। যা সরবরাহ পাচ্ছে সবই বিক্রি করছে কি না। কেউ যদি মজুদ করার চেষ্টা করে তাহলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
তবে সংকটের খবর নেই কোথাও। জেলা পেট্রোল পাম্প ওনার্স এ্যাসোসিয়েশন সুত্র জানায়, জেলায় ৩৫টি পাম্প রয়েছে।
প্রকাশক ও সম্পাদক- মোঃ হযরত আলী, নির্বাহী সম্পাদক- মোঃ মেহেদী হাসান
বার্তা সম্পাদক- এস এম ইকবাল সুমন । অফিস- গোমস্তাপাড়া, রংপুর-৫৪০০ । মোবাইল- ০১৮৯৬ ৪৩২৭০১
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী | Developed BY Rafi It Solution