
ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা পূর্ণিমা। দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে রুপালি পর্দায় যার বিচরণ। এর বাইরে যেটা প্রশংসার দাবি রাখে, তা হলো তার চিরচেনা রূপ-সৌন্দর্য। তাকে বলা হয় তিন প্রজন্মের নায়িকা; ভক্ত-শুভাকাঙ্ক্ষীরা তাকে অভিহিত করেন চিরযৌবনা বলেও। পূর্ণিমা এখনও সেই আগের মতোই রূপের দ্যুতি ছড়িয়ে যাচ্ছেন অনায়াসেই। সামাজিক মাধ্যমে নিত্য-নতুন ছবিতে যেন সৌন্দর্যের প্রাণ ফিরে পান ভক্তরা। এ সকল প্রশংসা কীভাবে নেন চিত্রনায়িকা, তা সম্প্রতি একটি ইভেন্টে উপস্থিত হয়ে অকপটে জানালেন। সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে পূর্ণিমা জানালেন, ভক্তদের এমন প্রশংসা তিনি বেশ উপভোগ করেন। তার কথায়, আপনারা বলতে থাকেন, আমি এনজয় করছি। আমি কিছু বলছি না। তবে মোটেও আমি একই জায়গায় রয়ে নি। আমার মধ্যে পরিবর্তন এসেছে। এরপরও সবাই যেটা বলছে এটা আসলে ব্লেসিং।
পূর্ণিমা বলেন, আপনাদের সবার ভালোবাসা এবং আপনাদের দোয়া। আপনারা আছেন বলেই আমরা আছি। রূপের বিচারে নিজেকে একমাত্র সেরা ভাবতে নারাজ এই নায়িকা। তিনি অকপটে স্বীকার করেন, ইন্ডাস্ট্রিতে তার চেয়েও অনেক সুন্দরী এবং পরীর মতো দেখতে অনেকেই আছেন। তার কথায়, আমার চেয়ে আরও অনেক সুন্দরীরা আছেন, পরীর মতো দেখতে আরও অনেকেই আছেন। তাই আমি একমাত্র সুন্দরী না, এটা আমি বিলিভ করি এবং সবাই তাই বিলিভ করে।
ঢালিউডের ইতিহাসে বড় পর্দার তারকাদের ছোট পর্দায় কাজ করা নিয়ে একসময় নেতিবাচক ধারণা থাকলেও সেই প্রথা ভেঙেছেন পূর্ণিমা। চলচ্চিত্রের পাশাপাশি নাটক ও টেলিফিল্মেও সমান তালে কাজ করে তিনি তার জনপ্রিয়তা অক্ষুণ্ণ রেখেছেন। ক্যারিয়ারের এই দীর্ঘ পথচলায় তিনি রিয়াজ, মান্না, শাকিব খান, রুবেল ও আমিন খানের মতো শীর্ষ নায়কদের বিপরীতে অভিনয় করেছেন।
তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য সিনেমার তালিকায় রয়েছে ‘মনের মাঝে তুমি’ ও ‘মধুর মিলন’। কাজী হায়াৎ পরিচালিত ‘ওরা আমাকে ভালো হতে দিল না’ সিনেমায় অভিনয়ের জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও অর্জন করেছেন। সব মিলিয়ে নিজের ক্যারিয়ার ও ব্যক্তিজীবন নিয়ে বর্তমানে এক তুষ্টির সময় পার করছেন এই নায়িকা।
প্রকাশক ও সম্পাদক- মোঃ হযরত আলী, নির্বাহী সম্পাদক- মোঃ মেহেদী হাসান
বার্তা সম্পাদক- এস এম ইকবাল সুমন । অফিস- গোমস্তাপাড়া, রংপুর-৫৪০০ । মোবাইল- ০১৮৯৬ ৪৩২৭০১
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী | Developed BY Rafi It Solution