

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ‘৩টি অনুসন্ধান কূপ (শ্রীকাইল ডিপ-১, মোবারকপুর ডিপ-১ ও ফেঞ্চুগঞ্জ সাউথ-১) খনন’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় টার্ন-কি ভিত্তিতে এই দুটি কূপ খননের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হতে পারে। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিতব্য বৈঠকে প্রস্তাবটির অনুমোদন মিললে পরবর্তী কর্যক্রম সম্পন্ন করা হবে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় এখন শুধু অগভীর নয়, গভীর স্তরে থাকা হাইড্রোকার্বন অনুসন্ধান অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। বর্তমানে দেশে আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্রগুলোর বেশিরভাগই অগভীর স্তরে সীমাবদ্ধ। এ অবস্থায় গভীর স্তরে নতুন গ্যাসের মজুত খুঁজে বের করতে প্রকল্পটি হাতে নেওয়া হয়েছে।
প্রকল্পের আওতায় কুমিল্লার মুরাদনগরে শ্রীকাইল এলাকায় এবং পাবনার সুজানগরে মোবারকপুর এলাকায় প্রায় ৬ হাজার মিটার গভীরতায় দুটি অনুসন্ধান কূপ খনন করা হবে। এছাড়া মৌলভীবাজারের রাজনগরে ফেঞ্চুগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্রের দক্ষিণাংশে আরও একটি কূপ খননের পরিকল্পনা রয়েছে।
জানা গেছে, ২০২৪ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড (বাপেক্স)-এর পরিচালক পর্যদ সভায় টার্ন-কি ভিত্তিতে প্রস্তাবিত প্রকল্পের ডিপিপি অনুমোদিত হয়। পরবর্তীতে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) সভায় বাপেক্স-এর অধীনে জিওবি ঋণ ও নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়নের জন্য প্রকল্পটি অনুমোদ দেওয়া হয়।
গত বছরের ১ ডিসেম্বর একনেক থেকে অনুমোদন পাওয়া প্রকল্পটির মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে ২০২৫ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৭ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত। মোট প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ১৩৬ কোটি ২৫ লাখ টাকা। এর মধ্যে ৯০৯ কোটি টাকা সরকার ‘উন্নয়ন ঋণ’ হিসেবে দেবে এবং বাকি ২২৭ কোটি ২৫ লাখ টাকা বাপেক্স নিজস্ব তহবিল থেকে জোগান দেবে।
প্রকাশক ও সম্পাদক- মোঃ হযরত আলী, নির্বাহী সম্পাদক- মোঃ মেহেদী হাসান
বার্তা সম্পাদক- এস এম ইকবাল সুমন । অফিস- গোমস্তাপাড়া, রংপুর-৫৪০০ । মোবাইল- ০১৮৯৬ ৪৩২৭০১
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী | Developed BY Rafi It Solution