২০০২ সালে স্থাপিত পাকুড়িয়া শরীফ ডিগ্রি কলেজ মাঠটি শুধু পাকিড়িয়া কলেজের শিক্ষার্থীদেরই খেলার মাঠ হিসেবেই বিবেচিত নয়, পার্শ্ববর্তী বেতগাড়ি বড়বিলসহ একটি বৃহৎ এলাকার ক্রীড়ামোদী যুবসমাজেরও একমাত্র খেলার মাঠ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
ইতিপূর্বেও খেলাধুলার একমাত্র কলেজ মাঠটি রাস্তা নির্মাণের পাথর ও বালু রাখার কারণে অনুপযোগী হলে, ২০২৪-২০২৫ সালে এলাকার বিত্তবান ও সচেতন মহল নিজেস্ব অর্থায়নে মাঠটি খেলাধুলার উপযোগী করার চেষ্টা করে। এতেও পুরোপুরি উপযোগী না হলে স্থানীয় ইউপি সদস্য ইউনিয়ন পরিষদের বরাদ্দ থেকে মাঠটিকে ক্রীড়ামোদীদের জন্য খেলাধুলার উপযোগী করে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সড়ক ও জনপদ বিভাগের অন্তর্গত একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বিষয়টি উপজেলা প্রশাসন, সংশ্লিষ্ট কলেজের অধ্যক্ষ ও এলাকার সূধীজনের বিনা অনুমতিতে স্থানীয় একটি কুচক্রী মহলকে টাকা দিয়ে রাতারাতি ঠিকাদারি কাজের মালামাল ওই কলেজ মাঠে রেখেছে। ফলে ইতিমধ্যেই সকলের খেলাধুলা বন্ধ হয়ে গেছে। তাই এখন পর্যন্ত বিনা অনুমতিতে রাখা পাথর ও বালু সরিয়ে না নেওয়ায় এলাকার ক্রীড়ামোদী শিক্ষার্থী, যুবসমাজ ও সচেতন মহলের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য বুলবুল বলেন,আমাদের বৃহত্তর এলাকায় একটি মাত্র খেলার মাঠ। আমরা ইতিপূর্বে খেলাধুলার অনুপযোগী এই মাঠটিকে সরকারী ও নিজেস্ব অর্থায়নে উপযোগী করেছি। কিন্তু দু:খের বিষয় হলো এলাকার দু একজন কুচক্রীর ব্যক্তি স্বার্থের কারণে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এই মাঠে বালু ও পাথর ফেলেছে। আমি দ্রুত এই বালু ও পাথর অপসারণে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ আশা করি।
এবিষয়ে কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল গণি বলেন, কলেজ মাঠে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মালামাল রাখার আগে আমার সাথে কোন কথা বলে নাই। বালু ও পাথর ফেলানোর পর আমি অবগত হয়েছি। বে আইনিভাবে রাখা বালু ও পাথর দ্রুত অপসারণ করা হোক।
একই বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী রেজওয়ান বলেন, প্রশাশন ও সংসদ সদস্যের নির্দেশ পেয়েছি। আমি মালামাল সরিয়ে নিব।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার জেসমিন আক্তার বলেন, আমি ইতিমধ্যে কলেজ মাঠে বে আইনিভাবে রাখা বালু পাথর সরিয়ে নিতে নির্দেশ দিয়েছি। না সরালে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।