
কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)-এর পণ্য তুলতে না পেরে খালি হাতে বাড়ি ফিরেছেন স্মার্ট কার্ডধারী উপকারভোগীরা। প্রখর রোদ ও ভ্যাপসা গরমে টানা তিন দিন অপেক্ষা করেও পণ্য না পাওয়ায় উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নের প্রায় আড়াই হাজার নতুন উপকারভোগীর মধ্যে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। জানা গেছে, গত এপ্রিল মাসে টিসিবি উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নে নতুন করে ২ হাজার ৫১৭টি স্মার্ট কার্ড ইস্যু করে। এসব কার্ডের বিপরীতে পণ্য বরাদ্দও পান সংশ্লিষ্ট ডিলাররা।
সে অনুযায়ী মাইকিং করে পণ্য বিতরণের তারিখ ঘোষণা করা হয়। ঘোষিত সময় অনুযায়ী উপকারভোগীরা ডিলার পয়েন্টে গিয়ে কার্ড জমা দিলেও পণ্য পাননি।ডিলারদের দাবি, টিসিবির ওয়েবসাইটে নতুন ইস্যুকৃত কার্ডগুলো সক্রিয় না থাকায় পণ্য বিক্রি করা সম্ভব হচ্ছে না। মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার নাওডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদ পয়েন্টে পণ্য নিতে আসা মজিবর রহমান, মিন্নি খাতুন, মাধব চন্দ্র ও পুলিন চন্দ্র রায় জানান, প্রায় দুই মাস আগে তারা স্মার্ট কার্ড পেয়েছেন।
কিন্তু তিন দিন ধরে ডিলারের কাছে ঘুরেও পণ্য তুলতে পারেননি। এ সব ভুক্তভোগীর অভিযোগ, কার্ড অনলাইনে সক্রিয় না থাকায় পণ্য দেওয়া হচ্ছে না।
এতে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন তারা। তাদের প্রশ্ন যদি পণ্যই না দেওয়া হয়, তবে প্রখর রোদের মধ্যে ডেকে এনে হয়রানির কারণ কী। নাওডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদ পয়েন্টের ডিলার মালিহা ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী হারুন অর রশিদ জানান, নতুন কার্ড দিয়ে ওয়েবসাইটে তথ্য অনুসন্ধান করলে ‘উপকারভোগীর প্রাপ্যতা নেই’—এমন বার্তা দেখায়। এতে করে পণ্য বিতরণ বন্ধ রয়েছে। শুধু নাওডাঙ্গা নয়, পুরো উপজেলাতেই একই সমস্যা দেখা দিয়েছে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) দিলারা আক্তার বলেন, সমস্যাটি উপজেলা বা জেলা প্রশাসনের নয়, টিসিবির রংপুর আঞ্চলিক কার্যালয় থেকে নতুন কার্ডগুলো এখনো সক্রিয় না করায় এই জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, আগামী মাস থেকে নতুন উপকারভোগীরা নিয়মিত পণ্য নিতে পারবেন।
প্রকাশক ও সম্পাদক- মোঃ হযরত আলী, নির্বাহী সম্পাদক- মোঃ মেহেদী হাসান
বার্তা সম্পাদক- এস এম ইকবাল সুমন । অফিস- গোমস্তাপাড়া, রংপুর-৫৪০০ । মোবাইল- ০১৮৯৬ ৪৩২৭০১
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী | Developed BY Rafi It Solution