সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের মাদক বিরোধী অভিযান কট্টর ভাবে চালানোর দাবী জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহলসহ ভুক্তভোগী পরিবার।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, সম্প্রতি ফুলবাড়ী উপজেলায় মাদকাসক্তির করাল গ্রাসে পড়ে এক যুবকের আত্মহত্যার ঘটনা পরিস্থিতিকে আরও গভীরভাবে নাড়া দিয়েছে।
নিহত চন্দন কুমার রবিদাস (৩৫) পেশায় একজন স্বর্ণকার ছিলেন। তিনি উপজেলার সীমান্তবর্তী কুরুষাফেরুষা গ্রামের দ্বিনেশ কুমার রবিদাসের ছেলে। এক ছেলে ও দুই মেয়ের জনক চন্দনের আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরেই তিনি মাদকাসক্ত ছিলেন। সংসারের স্বচ্ছলতা ফেরাতে বালারহাট বাজারে একটি জুয়েলার্সের দোকান গড়ে তুললেও ধীরে ধীরে মাদকের নেশায় জড়িয়ে পড়েন। দোকানের আয়ের বড় একটি অংশই ব্যয় হতো মাদক সেবনে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, প্রথমদিকে অল্পমাত্রায় মাদক গ্রহণ করলেও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তার আসক্তি ভয়াবহ রূপ নেয়। প্রায় সারাক্ষণই তিনি নেশাগ্রস্ত থাকতেন। এর প্রভাব পড়ে পারিবারিক জীবনে স্ত্রী, সন্তান ও বাবা-মায়ের সঙ্গে প্রায়ই অশান্তি লেগে থাকত। পরিবারের বারবার অনুরোধ ও বাধা সত্ত্বেও তিনি নেশা থেকে বের হতে পারেননি।
অবশেষে মাদকাসক্তির কারণে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে তিনি গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন বলে ধারণা স্থানীয়দের।
তার মৃত্যুর ১০ দিন পেরিয়ে গেলেও শোকের রেশ কাটেনি পরিবারে। স্ত্রী-সন্তানদের আহাজারি আর বৃদ্ধ বাবা-মায়ের নীরব বেদনায় এখনো ভারি হয়ে আছে পুরো এলাকা।
একই এলাকার কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা, যারা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তারা জানান৷ চন্দন বানিয়ার মৃত্যুর দিন ভোর রাতে নাওডাঙ্গা এলাকায় এক বিধবা নারী গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। তাদের দাবি তার ছেলে মাদকাসক্ত ছিল এবং তাকে সুপথে ফেরাতে তিনি বহু চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। স্বামীহারা ওই নারী ছেলের ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তায় ধীরে ধীরে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। একপর্যায়ে চরম হতাশা থেকে তিনি আত্মহত্যার পথ বেছে নেন।
খোঁজ খবর নিয়ে জানা গেছে, নাওডাঙ্গা ইউনিয়ন এখনো কমপক্ষে চার পাঁচ যুবক মাদক নিরাময় কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন রয়েছে। ওই নাওডাঙ্গা ইউনিয়নে নয় ফুলবাড়ী উপজেলা জেলা জুড়ে বেশ কিছু যুবক তাদের পরিবার সন্তানদের মাদকাসক্ত থেকে দুরে রাখতে মাদক নিরাময় কেন্দ্রে চিকিৎসার জন্য রেখেছেন।
এই ঘটনাগুলো আবারও স্পষ্ট করে দিচ্ছে৷ মাদকাসক্তি শুধু একটি ব্যক্তির জীবনই নয়, একটি পরিবার ও সমাজকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেয়। স্থানীয়রা দ্রুত মাদক নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
গোরকমন্ডল এলাকার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি বলেন, “মাদকের ভয়াবহতা ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। যেভাবে আমাদের যুবসমাজ মাদকাসক্তির দিকে ঝুঁকছে, তাতে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠতে পারে।”
তিনি জানান, তার ছোট ভাইও মাদকাসক্ত হয়ে পড়ায় গত দুই মাস ধরে রংপুরের একটি মাদক নিরাময় কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন রয়েছে। প্রতি মাসে চিকিৎসা বাবদ প্রায় ৪০ হাজার টাকা ব্যয় হচ্ছে, যা একজন কৃষকের পক্ষে বহন করা অত্যন্ত কষ্টকর। তবুও ভাইকে সুপথে ফিরিয়ে আনতে তিনি কোনোভাবেই হাল ছাড়বেন না বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
নিহতের বাবা দ্বিনেশ কুমার রবিদাস ও তার ভাই গোবিন্দ কুমার রবিদাস এবং অনিল কুমার রবিদাস জানান, নিহত যুবক চন্দন কুমার রবিদাস অনেক কষ্ট করে একটি স্বর্ণের দোকান প্রতিষ্ঠিত করেছে। সেই দোকান দিয়ে সুন্দর ভাবে দুই মেয়ে ও এক ছেলেসহ পরিবারের ভরণপোষণ চালিয়ে আসছেন। এক পর্যায়ে সে মাদক সেবনে জড়িয়ে যান। তার অস্বাভাবিক মাদক সেবনে পরিবারে চলে অশান্তি। এভাবেই ১০ থেকে পনের বছর কেটে যায়। তবুও আমরা তার মাদক সেবন করা বন্ধ করতে পারিনি। গত পাঁচ-ছয় মাস ধরে মাদক সেবনের মাত্রা আরও বেড়ে যাওয়ায় তিন মাস আগে মাদক নিরাময় সেন্টারে রাখা হয়। সেখান থেকে এসে প্রথমে দুই তিন সপ্তাহ মাদক সেবনে করেনি। এরপর আবারও সেই মাদক সেবনে জড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে সে মাদক সেবন অবস্থায় দিনে দুপুরে পরিবারের অজান্তে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার পথ বেঁচে নেয়।
হুইল চেয়ারে বসে কান্না জড়িয়ে কন্ঠে দ্বিনেশ চন্দ্র রবিদাস জানান, সন্তান হারানো বেদনা ভাষায় প্রকাশ করতে পারবো। মৃত্যু ১০ দিন কেটে গেল কিন্তু সন্তানের মৃত্যুর শোক এখনো তারা করছে। অবুঝ নাতি-নাতনীরা বাবার জন্য কাঁদছে। মাদক সেবনের কারণে আজ আমার পরিবার শোকাহত। তিনি আরও জানান, মাদক সেবনের কারণে যেন আর কোন বাবা-মা ও পরিবার তার যুবক সন্তানকে যেন না হারায় সেজন্য সকার অভিভাবকদের প্রতি তাদের সন্তানের যত্ন নেয়ার আহবান জানিয়েছেন তিনি।
বালারহাট বাজারের ব্যবসায়ী কিশোর কুমার ভট্টাচার্য বলেন “আমার দোকানের সামনেই ছিল চন্দন রবিদাসের স্বর্ণের জুয়েলার্সের দোকান। দীর্ঘদিন ধরে এখানে সবার সঙ্গে তার আন্তরিক ও সুসম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। তিনি ছিলেন অত্যন্ত ভালো মনের মানুষ। সব সময় হাসিমুখে চলাফেরা করতেন। হঠাৎ কী এমন হলো যে তিনি আত্মহত্যার মতো পথ বেছে নিলেন, তা আমরা এখনো মেনে নিতে পারছি না। তার মৃত্যুর শোকে দোকানের আশপাশের সহকর্মী ও ব্যবসায়ীদের মাঝে এখনো গভীর বিরাজ করছে।
নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের কুরুষাফেরুষা এলাকার বাসিন্দা আব্দুল মজিদ মানিক বলেন, কি বলবো ভাই, বালারহাট এলাকায় যে হারে মাদক সেবন বেড়েছে, তা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। আমার প্রতিবন্ধী কলেজপড়ুয়া ছেলেও একসময় মাদকে জড়িয়ে পড়ে। একজন অভিভাবক হিসেবে তাকে বাঁচাতে দুই দফায় প্রায় এক বছর রংপুরের মাদক নিরাময় কেন্দ্রে রেখেছিলাম। কিন্তু তারপরও তাকে পুরোপুরি মাদক থেকে ফেরাতে পারিনি।
তিনি বলেন, ছেলের কারণে সমাজে আমাদের মান-সম্মানও ক্ষুণ্ন হয়েছে। যতবার তাকে বাধা দিয়েছি, ততবারই তার কাছ থেকে অপমানিত হয়েছি। একপর্যায়ে বাধ্য হয়ে নিজ ছেলেকেই পুলিশের হাতে তুলে দিই। সে সময় ছয় মাস জেলেও ছিল। জেল থেকে বের হওয়ার পরও আবার মাদক সেবনে জড়িয়ে পড়ে। পরে ধীরে ধীরে কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসে। তাকে দুই-তিনবার তাবলিগ জামাতেও পাঠিয়েছি। এখন সে ঢাকায় একটি গার্মেন্টসে কাজ করছে।
চন্দন রবিদাস প্রসঙ্গে তিনি বলেন,আমাদের বাড়ির পাশের ছেলে চন্দন রবিদাসও মাদকাসক্ত হয়ে পড়েছিল। আমি নিজেই তাকে মাদক নিরাময় কেন্দ্রে রাখার ব্যবস্থা করেছিলাম। কিন্তু কিছুদিন পর আবারও সে মাদকে জড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে সুন্দর একটি পরিবার রেখে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়। এটি অত্যন্ত মর্মান্তিক ঘটনা।
তিনি আরও বলেন, মাদক নির্মূলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দিন-রাত কাজ করছে। তবে শুধু প্রশাসনের ওপর নির্ভর করলে হবে না, সমাজের সবাইকে একসঙ্গে মাদকের বিরুদ্ধে কাজ করতে হবে। তা না হলে চন্দনের মতো আরও অনেক তরুণের জীবন ঝরে যাবে।
নাওডাঙ্গা স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল হানিফ সরকার জানান, ফুলবাড়ী উপজেলার সীমান্তঘেঁষা এলাকাগুলোতে মাদকের বিস্তার আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। এখন প্রায় সব ধরনের মাদক সহজলভ্য হয়ে পড়েছে। আমাদের স্কুল-কলেজের কিছু শিক্ষার্থীও মাদকের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছে। আমরা নিয়মিত ক্লাস ও সভা-সমাবেশে মরণনেশা মাদকের ভয়াবহ ক্ষতির দিকগুলো তুলে ধরছি। তারপরও মাদকের দৌরাত্ম্য কমানো যাচ্ছে না।
তিনি আরও বলেন, বালারহাট বাজারের স্বর্ণ ব্যবসায়ী চন্দন কুমার রবিদাস অত্যন্ত ভালো ও ভদ্র একজন ছেলে ছিলেন। সুন্দরভাবেই ব্যবসা পরিচালনা করছিলেন। কিন্তু একপর্যায়ে তিনি মাদকাসক্ত হয়ে পড়েন। সম্প্রতি মাদকাসক্তির করাল গ্রাসে পড়ে তিনি আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন। এটি আমাদের জন্য অত্যন্ত বেদনাদায়ক ঘটনা। তিনি পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছেন ছোট দুই মেয়ে ও এক ছেলেসহ একটি সুন্দর পরিবার রেখে।
অধ্যক্ষ আব্দুল হানিফ সরকার আরও জানান, যেসব পরিবারে সন্তানরা মাদকাসক্ত হয়ে পড়ছে, তারা সবসময় আতঙ্ক ও উদ্বেগে দিন কাটাচ্ছেন। কারণ মাদকাসক্ত অনেক তরুণ চুরি-ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গেও জড়িয়ে পড়ছে। মাদক নির্মূলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। নইলে তরুণ সমাজ ধ্বংসের দিকে ধাবিত হবে এবং মৃত্যুর ঝুঁকিও বাড়বে।
নাওডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. হাছেন আলী জানান, উপজেলার সীমান্তঘেষা নাওডাঙ্গা ইউনিয়নে ক্রমান্বয়ে মাদকের বিস্তার উদ্বেগজনক হারে বেড়ে চলেছে। কোনোভাবেই মাদকের প্রবণতা কমানো যাচ্ছে না। ইতোমতো মাদক নির্মূলে বিজিবি, পুলিশসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দিনরাত কঠোর পরিশ্রম করে বড় বড় চালান উদ্ধার করছেন। তবে কেবল আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রচেষ্টা যথেষ্ট নয়। বিশেষ করে অভিভাবক, সচেতন মহল, স্কুল কলেজ শিক্ষক ও যুব সমাজ একসঙ্গে এগিয়ে এলে মাদক নির্মূল করা সম্ভব বলে জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, কয়েক দিন আগে বালারহাট বাজারের চন্দন বানিয়া নামে এক যুবকের মর্মান্তিক দূঘটনা সবাইকে নাড়া দিয়েছে। স্বর্ণের দোকান, সুন্দর পরিবার, সবকিছু থাকা সত্ত্বেও মাদকাসক্তির কারণে তিনি আত্মহত্যার পথ বেছে নেন। তার রেখে যাওয়া দুই মেয়ে, এক ছেলে ও পরিবারের সদস্যরা যে কষ্টে দিন পার করছেন, তা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। এমন ঘটনা আর যেন না ঘটে এটাই সবার কাম্য।
চেয়ারম্যান হাছেন আলী অভিভাবকদের দায়িত্ব নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, অনেক ক্ষেত্রে অভিভাবকদের অসচেতনতার কারণেই তরুণরা বিপথে যাচ্ছে। বাড়ির ছেলে হঠাৎ করে বাজার থেকে দামী মাছ বা মাংস নিয়ে এলে পরিবার খুশি হয়, কিন্তু সেই টাকা কোথা থেকে এলো তা কখনো জানতে চাই না। এই উদাসীনতাও মাদক বিস্তারের একটি বড় কারণ। তিনি সবাইকে সতর্ক করে বলেন, এখনো সময় আছে। অভিভাবক, সচেতন নাগরিক ও সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ একযোগে মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে না পারলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে এই ভয়ংকর নেশা থেকে রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়বে।
ফুলবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহমুদ হাসান নাঈম জানান, মাদক সেবন ও মাদক ব্যবসার বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। নিয়মিতভাবে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে এবং এটি কখনোই বন্ধ হবে না। তিনি সবাইকে মাদক থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানান। পাশাপাশি সচেতন মহল ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কাছে মাদকের বিষয়ে যেকোনো তথ্য পেলে তা গুরুত্বসহকারে নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও তিনি জানান।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) দিলারা আক্তার জানান, ফুলবাড়ী উপজেলার সীমান্তবর্তী যেসব এলাকায় মাদকের প্রভাব বেশি, সেখানে অনেক মানুষ কোনো না কোনোভাবে মাদকের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছে। এসব এলাকায় পুলিশের স্থায়ী চেকপোস্ট স্থাপন অত্যন্ত জরুরি। বিশেষ করে বালারহাট এলাকায় একটি পুলিশ চেকপোস্ট স্থাপনের প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি ইতোমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।
তিনি আরও জানান, মাদক নির্মূলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। তবে শুধু প্রশাসনের উদ্যোগই যথেষ্ট নয়। প্রত্যেক পরিবারকে তাদের সন্তানদের প্রতি আরও সচেতন হতে হবে। সন্তানরা বাড়ির বাইরে কোথায় যাচ্ছে, কী করছে, সেসব বিষয়ে অভিভাবকদের খোঁজখবর রাখতে হবে। সচেতনতা বাড়ানো না গেলে তরুণ সমাজ আরও বেশি ধ্বংসের দিকে এগিয়ে যাবে।
ইউএনও দিলারা আক্তার সন্তানদের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে সমাজের সবাইকে মাদকের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।