
ঠিক ৫৪ দিন আগে ভালোবেসে উপস্থাপক রাফসান সাবাবের সঙ্গে বিয়ের পিঁড়িতে বসেছেন সংগীতশিল্পী জেফার রহমান। খানিক উড়নচণ্ডী স্বভাবের এই তারকা যেন বিয়ের পর অনেকটাই বদলে গেছেন, জীবনে এসেছে নতুন পরিবর্তন। বিয়ে, দাম্পত্য জীবন নিয়ে এখন পর্যন্ত তাদের কেউই কথা বলেননি। নতুন অধ্যায় ও কাজের নানা দিক নিয়ে এবার কালের কণ্ঠের সঙ্গে খোলামেলা কথা বলেছেন গায়িকা-অভিনেত্রী। শুরুতেই জানতে চাই, জীবনের নতুন অধ্যায় অর্থাৎ দাম্পত্য জীবন কেমন কাটছে?
আমি শুধু এটুকুই বলতে চাই, আলহামদুলিল্লাহ। আমার নতুন এই অধ্যায়টা খুব উপভোগ করছি। কাজের প্রতি আমি অনেকটাই নিবেদিত এবং মনোযোগী। তাই আমার জন্য একজন সাপোর্টিভ ও বোঝাপড়াসম্পন্ন সঙ্গী থাকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
আমার সঙ্গী সেই বিষয়টাকে সম্মান করেন এবং জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে আমাকে ভীষণভাবে সাপোর্ট করেন। হঠাৎ করেই বিয়ের খবর সামনে এলো—সিদ্ধান্তটা কি হুট করেই নেওয়া?
বলা যায়। নিশ্চিতভাবেই এটা আমাদের জীবনের একটা বিশাল পদক্ষেপ। আমরা সত্যিই খুবই ভাগ্যবান যে আমাদের কাছের মানুষজন পরিবার ও বন্ধুরা—আমাদের এই নতুন যাত্রাকে তাদের আশীর্বাদ ও ভালোবাসা দিয়ে উদযাপন করেছেন।
আমরা চেয়েছিলাম শুধু নিজেদের কাছের মানুষগুলোকে নিয়ে ছোট করে এই মুহূর্তটা উদযাপন করব এবং সেটাই করেছি। বিয়ের প্রতিটি আয়োজন আমাদের জন্য চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। কারণ সত্যিই আমরা প্রতিটি অনুষ্ঠানে দারুণ সময় কাটিয়েছি। আমাদের বন্ধু ও পরিবারের প্রতি আমরা আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ।
অনেকটা—মানে অনেকটাই। আগে এক রকম ছিলাম, একা একা কাজ করতাম। এখন আমার একজন সঙ্গী আছেন, যিনি আমার জীবনের পার্টনার এবং একই সঙ্গে কাজেরও। জীবনটা এখন আমার কাছে অনেক সহজ লাগছে। দুজন দুজনের প্রতি সাপোর্টিভ, একে অপরের পার্থক্যগুলোকে সম্মান করি এবং বন্ধু ও পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাতে, ভ্রমণ করতে এবং সুন্দর মুহূর্তগুলো উপভোগ করতে ভালোবাসি।
গত বছর আমার বেশ কয়েকটি প্লে-ব্যাক হয়েছে—যেমন ‘তাণ্ডব’, ‘দাগী’ এবং ‘ইনসাফ’ সিনেমায়। সবগুলোই ঈদে মুক্তি পেয়েছে। যেহেতু আমি নিয়মিত প্লে-ব্যাক করি না, তারপরও গত বছর বেশ কয়েকটি কাজ হয়েছে। এরপর থেকে নিজের জন্য কিছু সলো কাজ করার পরিকল্পনা করেছি, যেটা এখনো চলমান। মিউজিকের বাইরে স্টেজ শো, বিভিন্ন এন্ডোর্সমেন্ট তো আছেই। এরপর একটা ছোট্ট বিরতি নিয়েছিলাম, কারণ আমার জীবনের নতুন একটি অধ্যায় শুরু হয়েছে। এখন আবার কাজে ফিরেছি। একটি ওয়েব ফিল্মে অভিনয় করেছিলেন। সেটির আপডেট কী?
শিহাব শাহীন ভাইয়ার পরিচালনায় একটি ওয়েব ফিল্মে কাজ করেছি আমি এবং প্রীতম হাসান। আমরা দুজনেই মূলত গানের মানুষ, কিন্তু এখানে একসঙ্গে অভিনয় করেছি। স্বাভাবিকভাবেই এই কাজটা নিয়ে আমরা অনেক বেশি এক্সাইটেড। বর্তমানে এর পোস্ট-প্রোডাকশনের কাজ চলছে। আশা করছি শিগগিরই এটি সামনে আসবে। সব শেষ জানতে চাই, নতুন অধ্যায়ের পর কাজ ও ব্যক্তিগত জীবন—দুটো কিভাবে ব্যালেন্স করছেন? দুটো বিষয়ই ওতপ্রোতভাবে জড়িত। কাজ ও ব্যক্তিগত জীবনের ব্যালেন্সটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ব্যক্তিগত জীবন যদি ভালো না যায় তাহলে সেটার প্রভাব কাজে পড়বে, আবার কাজ ভালো না হলে সেটারও প্রভাব ব্যক্তিগত জীবনে পড়বে। তাই ব্যালেন্স রাখার চেষ্টা করছি। আমার পরিবার খুব সাপোর্টিভ এবং আমার স্বামীও অনেক বেশি সাপোর্টিভ। যেহেতু দুজনই একে অপরের কাজ বুঝি, সে ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত জীবনে আমাদের সামঞ্জস্যতাও খুব ভালো।
প্রকাশক ও সম্পাদক- মোঃ হযরত আলী, নির্বাহী সম্পাদক- মোঃ মেহেদী হাসান
বার্তা সম্পাদক- এস এম ইকবাল সুমন । অফিস- গোমস্তাপাড়া, রংপুর-৫৪০০ । মোবাইল- ০১৮৯৬ ৪৩২৭০১
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী | Developed BY Rafi It Solution