স্থানীয় ব্যবসায়ীদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে শনিবার (১৬ মে) সরেজমিনে দেখা গেছে, এলাকার দোকানপাট ও আশপাশ থেকে উৎপন্ন সব ধরনের বর্জ্য—দোকানের আবর্জনা, পচা সবজি, এমনকি মৃত কুকুর ও মুরগিও—এই স্থানেই ফেলা হচ্ছে। নিয়মিতভাবে ময়লা অপসারণ না করায় গত দুই মাসে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। প্রচণ্ড গরমে দুর্গন্ধ চারদিকে ছড়িয়ে পড়ায় জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে।
ব্যবসায়ীরা জানান, দুর্গন্ধের কারণে অনেক ক্রেতাই দোকানে আসতে অনীহা প্রকাশ করছেন। এতে ব্যবসায় নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে এবং বিক্রি কমে গেছে। বাধ্য হয়ে কেউ আংশিকভাবে দোকান খুলছেন, আবার কেউ সীমিত পরিসরে ব্যবসা পরিচালনা করছেন।
ভাই ভাই সাইকেল স্টোরের মালিক সোলায়মানসহ একাধিক ব্যবসায়ী অভিযোগ করে বলেন, বিষয়টি নিয়ে বারবার সংশ্লিষ্টদের অবহিত করা হলেও কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। তাদের আশঙ্কা, এ অবস্থা দীর্ঘস্থায়ী হলে ব্যবসা টিকিয়ে রাখা কঠিন হয়ে পড়বে।
স্থানীয়দের মতে, দুর্গন্ধ ও অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ শুধু ব্যবসায়িক ক্ষতিই নয়, জনস্বাস্থ্যের জন্যও মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করছে।
বাঘেরহাট বাজারের ইজারাদার মুক্তি মিয়া বলেন, নির্দিষ্ট ডাস্টবিন না থাকা এবং নিয়মিত বর্জ্য অপসারণের অভাবেই এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এ সমস্যা সমাধানে একাধিকবার উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা বাস্তবায়নের মুখ দেখেনি।
বিষয়টি নিয়ে ঘোড়াঘাট পৌর প্রশাসক আব্দুল আল মামুন কাওসার শেখ বলেন, “এ নিয়ে আশপাশের দোকান মালিকরা আমার কাছে এসেছিলেন। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে এবং কালকের মধ্যেই ময়লা অপসারণের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জনদুর্ভোগ কমাতে দ্রুত সময়ের মধ্যে এখানে বড় আকারের একটি ডাস্টবিন নির্মাণ করা হবে।”