
নীলফামারীর সৈয়দপুরে এক বাড়িতে একটি ভেজাল কীটনাশক কারখানার সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার সৈয়দপুর উপজেলার চার নম্বর বোতলাগাড়ী ইউনিয়নের পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের প্রামাণিক পাড়ার ফরিদ উদ্দিনের (৬২) বাড়িতে ওই ভেজাল কীটনাশক কারখানাটির সন্ধান পাওয়া গেছে। এ সময় ওই কারখানা থেকে চিকন বালুতে রং মিশ্রিত ফিপ্রোনিল গ্রæপের সাড়ে সাত কেজি ভেজাল কীটনাশক উদ্ধার করা হয়েছে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ভেজাল কীটনাশক তৈরির দায়ে বাড়ির গৃহকর্ত্রীর ৫০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। সেই সঙ্গে উদ্ধারকৃত ভেজাল কীটনাশক ধ্বংস করা হয়েছে।
উপজেলা কৃষি অফিসের সুত্রে জানা যায়, উপজেলার চার নম্বর বোতলাগাড়ী ইউনিয়নের প্রামাণিক পাড়ার ফরিদ উদ্দিনের বাড়িতে বিভিন্ন কোম্পানির ভেজাল কীটনাশক তৈরি করে প্যাকেটজাত করে বাজারে সরবরাহ করে আসছিলেন। এমন খবরের ভিত্তিতে সৈয়দপুর উপজেলা কৃষি বিভাগের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা ডিপ্লোমা কৃষিবিদ মো. ইমরান সরদার উপজেলার ৪ নম্বর বোতলাগাড়ী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. মনিরুজ্জামান জুনকে সঙ্গে নিয়ে প্রামানিকপাড়ার ফরিদ উদ্দিনের বাড়িতে যান। এ সময় সেখানে বালু ও রং মিশ্রিত ফিপ্রোনিল গ্রæপের কীটনাশক দেখতে পান। পরে খবর পেয়ে সেখানে সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার(ইউএনও) ফারাহ ফাতেহা তাকমিলা উপস্থিত হন।
এ সময় সেখান থেকে বালু ও রং মিশিয়ে তৈরি করা এক কেজি ওজনের ৩৫০ প্যাকেট এবং খোলা ৪০০ কেজি প্যাকেটবিহীন ভেজাল কীটনাশক উদ্ধার করা হয়। পরে সেখানে সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফারাহ ফাতেহা তাকমিলা ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে গৃহকর্ত্রী মোছা. সাজিদা বেগমকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদন্ড করেন। একই সময় উদ্ধার করা প্রতিটি এক কেজি ওজনের ৩৫০ প্যাকেট এবং খোলা ৪০০ কেজি ভেজাল কীটনাশক এবং মালামাল ধ্বংস করা হয়।
এ সময় সৈয়দপুর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার কৃষিবিদ এস এম আরেফিন বিন আমীন, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা ডিপ্লোমা কৃষিবিদ মো. ইমরান সরদার, বোতলাগাড়ী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. মনিরুজ্জামান জুন, পাঁচ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য মো. মহির উদ্দিন ও থানার পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রকাশক ও সম্পাদক- মোঃ হযরত আলী, নির্বাহী সম্পাদক- মোঃ মেহেদী হাসান
বার্তা সম্পাদক- এস এম ইকবাল সুমন । অফিস- গোমস্তাপাড়া, রংপুর-৫৪০০ । মোবাইল- ০১৮৯৬ ৪৩২৭০১
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী | Developed BY Rafi It Solution