মন্ত্রী বলেন, পলিটিক্স করতে হবে অন্যের জন্য, নিজের জন্য নয়। এই শিক্ষার পরেও, ওই জুলাই ৩৬-এর শিক্ষার পরেও যদি বাংলাদেশের জনগণের পলিটিশিয়ানরা শিক্ষা না নেয়, তাহলে আমি জানি না ভবিষ্যতে কী হবে। প্রধানমন্ত্রী দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে পুরোনো কাঠামো থেকে বের করে নতুনভাবে সাজানোর উদ্যোগ নিয়েছেন। তিনি (প্রধানমন্ত্রী) আমাকে বলছিলেন, আমি যখন ইংল্যান্ডে ছিলাম, সকালে উঠে দেখতাম বাচ্চারা কত সুন্দর পোশাক পরে, জুতা-মোজা পরে স্কুলে যাচ্ছে। তখন ভাবতাম, আমার দেশে কবে এটা হবে। এখন ভাবার সময় শেষ, করার সময়। তিনি দেশে এসেছেন, প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন, তাই নির্দেশ দিয়েছেন—এটা আমাদের করতে হবে।
তিনি বলেন, দেশমাতা বেগম খালেদা জিয়া শিশুদের জন্য প্রাথমিক বিদ্যালয়ে খাদ্যের বিনিময়ে শিক্ষা কর্মসূচি চালু করেছিলেন। পরে চালু করেন টাকার বিনিময়ে শিক্ষা কর্মসূচি। তিনি মেয়েদের জন্য দশম শ্রেণি পর্যন্ত উপবৃত্তি চালু করেন, পরে তা উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে সম্প্রসারণ করেন। একই সঙ্গে ছেলেদের জন্যও উপবৃত্তি চালুর উদ্যোগ নেন। তিনি বলেছিলেন, আবার দায়িত্ব পেলে ডিগ্রি পর্যন্ত মেয়েদের উপবৃত্তির ব্যবস্থা করবেন। উনার ভাগ্যে সেটা হয়নি। কিন্তু উনার জ্যেষ্ঠ সন্তান জনাব তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর তিনি মেয়েদের ডিগ্রি পর্যন্ত উপবৃত্তির ব্যবস্থা করলেন। অর্থাৎ ধারাবাহিকতা রয়েছে—মা যেভাবে দেখেছেন, ছেলে ঠিক সেভাবেই দেখছেন।
মিলন আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের জন্য মিডডে মিল চালু করা হচ্ছে, যাতে তারা ভালোভাবে বেড়ে উঠতে পারে। একই সঙ্গে তাদের খেলাধুলা ও পড়াশোনাকে আনন্দময় করতে ‘লার্নিং হ্যাপি ক্লাস’, খেলাধুলা, সংস্কৃতি, পারিবারিক মূল্যবোধ, ধর্মীয় মূল্যবোধ, নৈতিকতা ও চারিত্রিক মূল্যবোধ শিক্ষায় অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। এমনকি সাতার, দাবাসহ বিভিন্ন খেলাও প্রাথমিক স্তর থেকেই অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

