তিনি বলেন, দুই দেশের সম্পর্ককে ‘সামগ্রিক কৌশলগত অংশীদারিত্ব’ থেকে আরও উচ্চতর পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোতে চীনের বিনিয়োগ এবং বাণিজ্যের প্রসার নিয়ে গুরুত্ব সহকারে আলোচনা হয়েছে।
মন্ত্রী জানান, সফরে চীন-মিয়ানমার ইকোনমিক করিডোরের মাধ্যমে বাংলাদেশের সঙ্গে কানেক্টিভিটি বাড়ানোর সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বিশেষ করে কুনমিং থেকে মিয়ানমারের বন্দরগুলোর মাধ্যমে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দরের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করা গেলে পণ্য পরিবহন খরচ ও সময় অনেক কমে আসবে, যা বাংলাদেশের সক্ষমতা বাড়াবে।
এক প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গা ইস্যুতে চীন অত্যন্ত ইতিবাচক ভূমিকা পালনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তারা বাংলাদেশ ও মিয়ানমার—উভয় পক্ষের সঙ্গেই আলোচনা করে দ্রুত এই সংকট সমাধানের চেষ্টা করবে।
মন্ত্রী আরও জানান যে, মিয়ানমার সরকার এবং আরকান আর্মির সঙ্গেও তাদের যোগাযোগ রয়েছে এবং তিনি আশাবাদী যে বর্তমান সরকারের অধীনেই এই সমস্যার সমাধান হবে। মন্ত্রী উল্লেখ করেন, চীন সব সময় বাংলাদেশের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ে নিয়মিত আলোচনার জন্য একটি মেকানিজম তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা আগে পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ে ছিল।
তিনি এই সফরকে অত্যন্ত সফল হিসেবে দাবি করেন এবং জানান যে চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের বন্ধুত্ব এখন আরও গভীর, বিস্তৃত ও উচ্চতর পর্যায়ে পৌঁছেছে।

