
ইউরোপজুড়ে বয়ে যাওয়া তীব্র তাপপ্রবাহের মধ্যে ফ্রান্সে অতিরিক্ত অন্তত ১ হাজার মানুষের প্রাণহানির তথ্য রেকর্ড করা হয়েছে। রবিবার দেশটির জনস্বাস্থ্য বিষয়ক সংস্থার এক পরিসংখ্যানে এই তথ্য জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে সংস্থাটি সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, তাপপ্রবাহের কারণে বিভিন্ন ধরনের শারীরিক অসুস্থতায় আরও অনেকে মারা গেছেন; যারা পরিসংখ্যানের বাইরে রয়েছেন। যে কারণে প্রকৃত মৃতের সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে।
অতিরিক্ত মৃত্যুর প্রাথমিক হিসাবের বিস্তারিত তুলে ধরে স্যঁতে পাবলিক নামের ওই সংস্থাটি বলেছে, মৃতদের বেশিরভাগই বয়স্ক মানুষ। এছাড়া কেয়ার হোম ও বাসাবাড়িতে মৃত্যুর তথ্য হাতে এলে এই মৃত্যুহার আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।বর্তমানে পুরো ইউরোপজুড়েই ভয়াবহ তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। তাপপ্রবাহের কবলে পড়ে চরম পরিস্থিতি পার করছেন এই অঞ্চলের কোটি কোটি মানুষ। তাপপ্রবাহের কারণে ইতোমধ্যে কয়েক ডজন মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এতে অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে গেছে, ব্যাহত হচ্ছে বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং অবকাঠামোও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
বিজ্ঞানীরা বলছেন, গত ২০ জুন থেকে শুরু হওয়া এই তাপপ্রবাহ ইউরোপের ইতিহাসে রেকর্ড করা সবচেয়ে ভয়াবহ। বৈশ্বিক গড়ের চেয়ে ইউরোপের জলবায়ু দ্রুত গতিতে পরিবর্তন হচ্ছে।
তাপপ্রবাহ বর্তমানে ফ্রান্সের পূর্ব দিকে অগ্রসর হচ্ছে। তবে ফ্রান্সের আবহাওয়া সংস্থা বলেছে, দেশের বেশিরভাগ অঞ্চলে চরম গরম কমলেও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের কিছু এলাকা এখনও তাপপ্রবাহের সতর্কবার্তার আওতায় রয়েছে।
দেশটির স্বাস্থ্যমন্ত্রী স্তেফানি রিস্ট বলেছেন, আবহাওয়া স্বাভাবিক হওয়ার পরও এই তাপপ্রবাহের প্রভাব প্রায় ১০ দিন পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। দেশটির টেলিভিশন চ্যানেল বিএফএমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, এই দুর্যোগ এখনও শেষ হয়ে যায়নি। স্যঁতে পাবলিক বলেছে, মৃত ব্যক্তিদের বেশিরভাগেরই বয়স ৬৫ বছর বা তার বেশি। তবে তীব্র এই গরমের স্বাস্থ্যঝুঁকি সব বয়সী মানুষের ওপরই প্রভাব ফেলেছে।
সূত্র: এএফপি।
প্রকাশক ও সম্পাদক- মোঃ হযরত আলী, নির্বাহী সম্পাদক- মোঃ মেহেদী হাসান
বার্তা সম্পাদক- এস এম ইকবাল সুমন । অফিস- গোমস্তাপাড়া, রংপুর-৫৪০০ । মোবাইল- ০১৮৯৬ ৪৩২৭০১
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী | Developed BY Rafi It Solution