
১৯ থেকে ২৬ জুনের মধ্যে বিশ্বজুড়ে ৪.৫ বা তার চেয়ে বেশি মাত্রার অন্তত ৯৩টি ভূমিকম্প রেকর্ড করা হয়েছে। মেক্সিকোর পশ্চিম উপকূলে আঘাত হেনেছে ৬ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প। তবে প্রাথমিকভাবে কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। সাম্প্রতিক সময়ে বিশ্ব জুড়ে ভূকম্পন পরিস্থিতির তীব্রতার মধ্যেই মেক্সিকোতে এই কম্পন হলো। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস বলছে, স্থানীয় সময় মঙ্গলবার দুপুর ১টা ৪৫ মিনিটে ক্যালিফোর্নিয়া উপসাগরে এই ভূকম্পন অনুভূত হয়। ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল মেক্সিকোর এল প্রোগ্রেসো শহর থেকে প্রায় ৭৫ কিলোমিটার বা ৪৭ মাইল দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে এবং এর গভীরতা ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে ১০ কিলোমিটার।
সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, গত ১৯ থেকে ২৬ জুনের মধ্যে বিশ্ব জুড়ে ৪ দশমিক ৫ বা তার চেয়ে বেশি মাত্রার অন্তত ৯৩টি ভূমিকম্প রেকর্ড করা হয়েছে, যা বিশ্বব্যাপী ক্রমবর্ধমান ভূকম্পন সক্রিয়তারই ইঙ্গিত দেয়। মেক্সিকোর এই ভূমিকম্পের ঠিক আগেই ভেনেজুয়েলায় একটি শক্তিশালী জোড়া ভূমিকম্প আঘাত হানে, যার ফলে সেখানে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ভেনেজুয়েলায় প্রথমে ৭ দশমিক ২ মাত্রার একটি ভূমিকম্প এবং এর মাত্র ৩৯ সেকেন্ড পর ৭ দশমিক ৫ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প আঘাত হানে, যাকে ভূতত্ত্বের ভাষায় ডাবলেট বলা হয়। অল্প সময়ের ব্যবধানে একই ধরনের শক্তিশালী ভূকম্পন পরপর আঘাত হানলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বহুগুণ বেড়ে যায়।
বিশ্বের অন্যান্য প্রান্তেও একই সময়ে মাঝারি ও শক্তিশালী ভূমিকম্পের খবর পাওয়া যায়। যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর ক্যালিফোর্নিয়ার রেডউড ভ্যালির কাছে মেন্দোসিনো কাউন্টিতে ৫.৬ মাত্রার একটি মাঝারি ধরনের ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে, যার উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের মাত্র ৫ মাইল গভীরে। অন্যদিকে জাপানের উত্তরাঞ্চলীয় ইওয়াতে প্রিফেকচারের পূর্ব উপকূলে ব্যস্ত সময়ে আঘাত হানে ৭ দশমিক ২ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প। জাপানের আবহাওয়া সংস্থা প্রথমে এর মাত্রা ৬ দশমিক ৯ জানালেও পরে তা সংশোধন করে ৭ দশমিক ২ বলে উল্লেখ করে। এই ভূমিকম্পটির গভীরতা ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার।
প্রকাশক ও সম্পাদক- মোঃ হযরত আলী, নির্বাহী সম্পাদক- মোঃ মেহেদী হাসান
বার্তা সম্পাদক- এস এম ইকবাল সুমন । অফিস- গোমস্তাপাড়া, রংপুর-৫৪০০ । মোবাইল- ০১৮৯৬ ৪৩২৭০১
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী | Developed BY Rafi It Solution