
নীলফামারীর ডিমলায় যথাযথ চিকিৎসা অভাবে মেয়ে রাব্বিনা আক্তারের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বাবা রাবিউল ইসলাম। শনিবার দুপুরে নীলফামারী শহরের একটি সাংবাদিক অফিসে অনুষ্ঠিত সাংবাদিক সম্মেলনে এই অভিযোগ করা হয়। রাব্বিউল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, গেল বছরের ৮আগষ্ট সন্ধ্যায় সিজারিয়ান অপারেশনের জন্য ‘ডিমলা স্কয়ার ক্লিনিক’ ভর্তি করা হয়।
চিকিৎসক আক্তারুজ্জামান আমার মেয়ের সিজার অপারেশন করেন। অপারেশনের পর প্রসূতি ও সন্তানের অবস্থা খারাপ হওয়ায় বিশেষ করে প্রসূতি রাব্বিনার পেটে প্রচণ্ড ব্যথা হওয়ায় ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের পরামর্শে ১১আগষ্ট রংপুরে স্থানান্তর করা হয় সেখানে চিকিৎসা চলাকালে এক্সরে রিপোর্টে মেয়ের মারাত্মক জটিলতা ধরা পড়ে। তালুকদার হাসপাতালে পুনরায় অপারেশনে মেয়ের নার কেটে ফেলতে হয়। জানানো হয় ১৬ফিট নারের মধ্যে ১২ফিটও পচে গেছে। সেখানকার চিকিৎসকরা জানিয়েছেন মেয়ের বাঁচার সম্ভাবনা কম।
রাব্বিউল অভিযোগ করেন স্কয়ার ক্লিনিকে ভূল চিকিৎসার কারণে আমার মেয়ের এ অবস্থা হয়েছে। এরই মধ্যে চলতি বছরের ১৮এপ্রিল চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় আমার মেয়ে রাব্বিনা। এনিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ করা হলেও ওই ক্লিনিকের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি আদৌও বরং ইউএনও ব্যবস্থা নিতে উদাসিনতা দেখাচ্ছেন। অভিযোগ করা হয় রংপুরে চিকিৎসা নেয়াকালে ডিমলা স্কয়ার ক্লিনিকের মালিক ও ম্যানেজার নানা ভাবে ভয়ভীতি ও হুমকী দেখিয়েছেন এমনকি এখোনো হুমকী দিয়ে আসছেন।
যথাযথ চিকিৎসা অভাবে আমার মেয়ের নার নষ্ট করে দিয়েছে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ। আমি এর বিচার চাই। জড়িতদের দৃষ্টান্তমুলক শান্তি চাই। যেন আর কোনো প্রসূতি মা যথাযথ চিকিৎসা অভাবে মারা না যায়। বিষয়টি নিয়ে ক্লিনিক মালিক সফিয়ার রহমানের সাথে কথা বললে তিনি জানান, এক বছরের আগের ঘটনা। আমার সঠিক জানা নেই। আমার ক্লিনিক ও রংপুরের ক্লিনিকের রিপোর্টে কি আছে সেটা দেখতে হবে। অপারেশনতো আমি করি নাই চিকিৎসক বলতে পারবে। জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইমরানুজ্জামান বলেন, আমি কি করতে পারি। এটা স্বাস্থ্য বিভাগের কাজ। তারপরও বিষয়টি নিয়ে আমি দেখবো।
প্রকাশক ও সম্পাদক- মোঃ হযরত আলী, নির্বাহী সম্পাদক- মোঃ মেহেদী হাসান
বার্তা সম্পাদক- এস এম ইকবাল সুমন । অফিস- গোমস্তাপাড়া, রংপুর-৫৪০০ । মোবাইল- ০১৮৯৬ ৪৩২৭০১
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী | Developed BY Rafi It Solution