
বিশ্বকাপ ফুটবল এলেই বাংলাদেশজুড়ে শুরু হয় আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল সমর্থকদের উন্মাদনা। পতাকা টানানো, প্রিয় দলের জার্সি পরা, খেলা নিয়ে তর্ক-বিতর্ক- সব মিলিয়ে উৎসবের আবহ তৈরি হয়। এই উন্মাদনার অংশ ঢালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী দিলারা হানিফ পূর্ণিমাও।
ছোটবেলার স্মৃতি, পরিবারের প্রভাব এবং দিয়েগো ম্যারাডোনা থেকে লিওনেল মেসি-সব মিলিয়ে আর্জেন্টিনার প্রতি তার ভালোবাসা গড়ে উঠেছে। সম্প্রতি আলাপকালে পূর্ণিমা জানান, ছোটবেলায় বাবার চাকরির সুবাদে ঢাকার পিজি হাসপাতালের স্টাফ কোয়ার্টারে থাকতেন তিনি।
তখন বিশ্বকাপ এলেই চারপাশে ম্যারাডোনাকে নিয়ে আলোচনা, ভবনের দেয়ালে আকাশি-সাদা কিংবা হলুদ-সবুজ রঙের সাজসজ্জা এবং ছাদে ছাদে বিভিন্ন দেশের পতাকা ওড়ানোর দৃশ্য তাকে ভীষণ আকৃষ্ট করত। তিনি বলেন, তখনও আর্জেন্টিনা বা ব্রাজিল সম্পর্কে তেমন কিছু জানতেন না। তবে আশপাশের মানুষের মুখে বারবার ম্যারাডোনার নাম শুনতে শুনতেই আর্জেন্টিনার প্রতি এক ধরনের টান তৈরি হয়। সেই টান আরও গভীর হয় পরিবারের কারণে। কারণ তার বাবা-মাসহ পরিবারের সবাই ছিলেন ম্যারাডোনার ভক্ত। ব্রাজিলের বদলে কেন আর্জেন্টিনাকে সমর্থন করেন-এমন প্রশ্নের উত্তরে পূর্ণিমা একেবারেই সরল ভাষায় বলেন, আর্জেন্টিনায় ম্যারাডোনা ছিল, এখন মেসি আছে। ব্রাজিলে তো সেটা নেই।
এবারের বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনাকে নিয়ে তার উচ্ছ্বাস আরও বেড়েছে। এর পেছনে বড় ভূমিকা রয়েছে তার স্বামী আশফাকুর রহমানের। পূর্ণিমা জানান, তার স্বামী আর্জেন্টিনার একনিষ্ঠ সমর্থক। বিশ্বকাপ এলেই বন্ধু-স্বজনদের জার্সি উপহার দেন, পরিবারের সদস্যদের জন্যও নতুন জার্সি কিনে আনেন।
অভিনেত্রীর ভাষায়, আগে খেলা নিয়ে তার আগ্রহ থাকলেও এখন স্বামীর উৎসাহে তিনি আরও বেশি বিশ্বকাপমুখী হয়ে উঠেছেন। খেলা দেখার সময় জার্সি পরে বসার অভ্যাসও আগে ছিল না। এখন পরিবারের সবাই যখন আর্জেন্টিনার জার্সি পরে খেলা উপভোগ করেন, তখন তিনিও সেই আনন্দে শামিল হন। পূর্ণিমা বলেন, স্বামী অনেক সময় মজা করে অন্য দলের সমর্থকদেরও আর্জেন্টিনার জার্সি পরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন।
প্রকাশক ও সম্পাদক- মোঃ হযরত আলী, নির্বাহী সম্পাদক- মোঃ মেহেদী হাসান
বার্তা সম্পাদক- এস এম ইকবাল সুমন । অফিস- গোমস্তাপাড়া, রংপুর-৫৪০০ । মোবাইল- ০১৮৯৬ ৪৩২৭০১
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী | Developed BY Rafi It Solution