
টানা দুই সপ্তাহ আকাশ থেকে এক ফোঁটা বৃষ্টিও পড়েনি। মধ্য ও দক্ষিণ-পূর্ব ইংল্যান্ডের আবহাওয়া পর্যবেক্ষণকেন্দ্রগুলোতে ২ থেকে ১৫ জুলাই পর্যন্ত টানা ১৪ দিন গড় বৃষ্টিপাত ছিল শূন্য। দক্ষিণ-পূর্ব ইংল্যান্ডে ১৯৯৭ সালের এপ্রিলের ১৫ দিনের বৃষ্টিহীন সময়ের পর এটিই দীর্ঘতম এমন পর্ব। আর মধ্য ইংল্যান্ডে ১৯৯৬ সালের জুনের পর এত দীর্ঘ সময় একটানা বৃষ্টি না হওয়ার ঘটনা আর ঘটেনি।
বিবিসি ওয়েদারের প্রতিবেদনে উঠে আসা এই অস্বাভাবিক শুষ্কতার পেছনে রয়েছে দীর্ঘস্থায়ী উচ্চচাপ ও একের পর এক তাপপ্রবাহ। ব্রিটিশ আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, এ বছরের জুলাই ইংল্যান্ড ও ওয়েলসের নথিভুক্ত ইতিহাসে সবচেয়ে শুষ্ক জুলাই। দক্ষিণ ইংল্যান্ডে আবার ১৮৩৬ সাল থেকে চলা রেকর্ডে এটি ছিল যেকোনো মাসের মধ্যে সবচেয়ে শুষ্ক।
খরার প্রভাব ইতিমধ্যে জলাধার, নদী ও কৃষিজমিতে পড়েছে। জুলাইয়ের শেষ দিকে ইংল্যান্ডের সাতটি অঞ্চলকে আনুষ্ঠানিকভাবে খরাগ্রস্ত ঘোষণা করা হয়। তার আগেই নদীর প্রবাহ দ্রুত কমছিল এবং মধ্য, দক্ষিণ-পূর্ব ও দক্ষিণ-পশ্চিম ইংল্যান্ডে মাটির আর্দ্রতার ঘাটতি বছরের এই সময়ের রেকর্ড পর্যায়ে পৌঁছেছিল।
বৃষ্টির স্বস্তিও আপাতত নিশ্চিত নয়। আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাসে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব ইংল্যান্ডে আবার গরম ও তুলনামূলক শুষ্ক আবহাওয়া ফেরার ইঙ্গিত রয়েছে। আগস্টের মাঝামাঝি সময়ে কোথাও কোথাও তাপমাত্রা আবার ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়াতে পারে।
ব্রিটেনের আবহাওয়া নিয়ে পুরোনো রসিকতা, একদিনেই চার ঋতু দেখা যায়। কিন্তু এবারের গ্রীষ্মে মধ্য ও দক্ষিণ ইংল্যান্ডের ছবিটা অন্য রকম। ঋতু বদলাচ্ছে, মেঘ আসছে, বৃষ্টি আসছে না৷
প্রকাশক ও সম্পাদক- মোঃ হযরত আলী, নির্বাহী সম্পাদক- মোঃ মেহেদী হাসান
বার্তা সম্পাদক- এস এম ইকবাল সুমন । অফিস- গোমস্তাপাড়া, রংপুর-৫৪০০ । মোবাইল- ০১৮৯৬ ৪৩২৭০১
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী | Developed BY Rafi It Solution