বিসিআইসির সার ডিলার মেসার্স শাহ আমানত এন্টারপ্রাইজকে শোকজ প্রদান করা হয়েছে। অপরদিকে মেসার্স শাহ আমানত এন্টারপ্রাইজের সত্ত্বাধিকারী তাইফুর রহমান মুকুল বাদি হয়ে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন।
তদন্ত কমিটির সভাপতি করা হয়েছে সহকারী কমিশনার (ভূমি) আমিনুল হক তারেককে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল জব্বারকে তদন্ত কমিটির সদস্য সচিব করা হয়েছে। কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা নাজমুল হুদা, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সবুজ কুমার গুপ্ত ও উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার সাইফুর রহমান।
অপরদিকে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, রংপুর অঞ্চলের উপ-পরিচালক সিরাজুল ইসলামকে আহ্বায়ক করে তিন সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠিত হয়েছে। অন্যান্য সদস্যরা হলেন উপ-পরিচালক লালমনিরহাট ড. মো. সাইখুল আরিফিন ও উপ-পরিচালক রংপুর অঞ্চল সৈয়দা সিফাত জাহান।
ভূরুঙ্গামারী থানার ওসি আজিম উদ্দিন বলেন, মেসার্স শাহ আমানত এন্টারপ্রাইজের সত্ত্বাধিকারী তাইফুর রহমান মুকুল বাদি হয়ে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন।
তদন্ত কমিটির সভাপতি সহকারী কমশিনার (ভূমি) আমিনুল হক তারেক বলেন, ঘটনা স্থল পরিদর্শন করেছি। প্রত্যক্ষদর্শী, ডিলার ও কৃষকদের সাথে কথা বলে সার নিয়ে ঘটে যাওয়া ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনের পরে বিস্তারিত জানানো সম্ভব হবে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আব্দুল জব্বার জানান, এ ব্যাপারে দুটি তদন্ত টিমের সরেজমিন তদন্ত চলমান। তদন্তসাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার অমৃত দেব নাথ বলেন, সোমবার দুপুর পর্যন্ত বিক্ষুব্ধ কৃষকদের নিয়ে যাওয়া সারের মধ্য থেকে ১১৫ বস্তা সার উদ্ধার করা হয়েছে। সার ডিলারকে কৃষি অফিস থেকে শোকজ (কারণ দর্শানো নোটিশ) করা হয়েছে। গত রোববার সার নিয়ে ঘটে যাওয়া ঘটনার প্রকৃত কারণ খুঁজে বের করতে রাতেই পাঁচ সদস্যের একটি কমিঠি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কাজ চলমান আছে। ওই সার ডিলার এ ব্যাপারে থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন।
সার বিতরণে প্রত্যেকটি ইউনিয়নে একজন করে ট্যাগ অফিসার নিয়োগ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে ডিলাররা প্রকৃত কৃষকদের মাঝে এ সার বিতরণ করবেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে রবিবার রাতে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, কর্মকর্তা, সার ডিলার, সাংবাদিক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে উপজেলা কনফারেন্স রুমে মতবিনিময় সভা করা হয়েছে।