কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক (তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী) মাহমুদ হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, হ্রদের পানির উচ্চতা দ্রুত বাড়তে থাকায় আগে নির্ধারিত রাত ১০টার পরিবর্তে প্রায় দুই ঘণ্টা আগেই জলকপাট খোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
জলকপাট খোলার সময় কাপ্তাই হ্রদের পানির উচ্চতা ছিল প্রায় ১০৫ দশমিক ৯৮ ফুট এমএসএল (মিন সি লেভেল)। এর আগে শনিবার দুপুর ২টায় পানির উচ্চতা ছিল ১০৫ দশমিক ৬৪ ফুট এমএসএল। কাপ্তাই হ্রদের সর্বোচ্চ ধারণক্ষমতা ১০৯ ফুট এমএসএল।
এর আগে শনিবার দুপুরে কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক স্বাক্ষরিত এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে রাত ১০টা থেকে স্পিলওয়ের ১৬টি জলকপাট ৬ ইঞ্চি করে খুলে পানি ছাড়ার কথা জানানো হয়েছিল। তবে বিকেল থেকে হ্রদের পানির উচ্চতা দ্রুত বাড়তে থাকায় নির্ধারিত সময়ের আগেই জলকপাট খুলে দেওয়া হয়।
কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক মাহমুদ হাসান জানান, হ্রদের পানির উচ্চতা ও উজান থেকে আসা পানির প্রবাহ পরিস্থিতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। পরিস্থিতি অনুযায়ী পানি নিষ্কাশনের পরিমাণ পরিবর্তন করা হতে পারে।
এ নিয়ে এবার দ্বিতীয় দফায় কাপ্তাই বাঁধের স্পিলওয়ের জলকপাট খুলে পানি ছাড়া হলো। এর আগে গত মাসেও হ্রদের পানি বেড়ে যাওয়ায় ১৬টি জলকপাট খুলে অতিরিক্ত পানি নিষ্কাশন করা হয়েছিল।

