সোমবার নাগরিক: ন্যাশনাল অ্যাডভান্সমেন্ট ফর গভর্ন্যান্স অ্যান্ড রাইটস ইনিশিয়েটিভস ইন কমিউনিটিস প্রকল্পের আওতায় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা সীডের উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা অফিসার্স কল্যাণ ক্লাবে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেসমিন আক্তার। এতে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. হামিদুল ইসলাম, সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম, আইসিটি কর্মকর্তা মো. রুবেল হোসেন, নাগরিক প্রকল্পের সীড-রংপুরের প্রজেক্ট ফিল্ড অফিসার মো. রবিউল আউয়াল ও সীডের প্রতিনিধি রঞ্জিতা রানী রায় বক্তব্য দেন। সভাটি সঞ্চালনা করেন তথ্যসেবা কর্মকর্তা তাসনীম খুশবী সরকার।
তবে দিবসটির আয়োজনে সাংবাদিকসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতি হাতে গোনা । এ বিষয়ে নাগরিক প্রকল্পের সীড-রংপুরের প্রজেক্ট ফিল্ড অফিসার মো. রবিউল আউয়াল বলেন, আমার বাজেট ছিল না, তাই সবাইকে জানানো সম্ভব হয়নি। একজন সাংবাদিক ছিলেন।
দৈনিক আমার দেশ-এর প্রতিনিধি ও গঙ্গাচড়া উপজেলা প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক রিয়াদুন্নবী রিয়াদ বলেন, তথ্য অধিকার দিবসের আয়োজনেই যদি সাংবাদিকদের তথ্য জানানো না হয়, তাহলে এটি সত্যিই এক অভিনব তথ্য অধিকার! র্যালি আর আলোচনা সভা করলেই দায়িত্ব শেষ নয়, তথ্য গোপন রেখে তথ্য অধিকার দিবস পালন করা নিছক লোকদেখানো আয়োজন ছাড়া আর কিছু নয়।
দৈনিক ডেসটিনি ও দৈনিক সকালের বাণীর প্রতিনিধি এবং উপজেলা প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহফুজার রহমান মাহফুজ বলেন, তথ্য অধিকার দিবস শুধু আনুষ্ঠানিকতা পালনের বিষয় নয়। জনগণকে তথ্য অধিকার সম্পর্কে সচেতন করে তোলার পাশাপাশি জনগণের দোড়গোড়ায় তথ্যের অধিকার পৌঁছে দিতে বাস্তবভিত্তিক কার্যক্রম প্রয়োজন।
দৈনিক প্রতিদিনের সংবাদ এর প্রতিনিধি ও উপজেলা প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি বাবুল মিয়া বলেন, তথ্য অধিকার দিবস পালনের তথ্য যেখানে সাংবাদিকরাই জানে না, সেখানে সরকারি উদ্যোগে কতটুকু সার্থক? তথ্য অধিকার দিবসে তথ্য দেওয়ার আয়োজন, অথচ আয়োজনে অংশগ্রহণের তথ্যই যেন সবার জন্য অধিকারভুক্ত নয়, এমন পরিস্থিতি সত্যিই ভাবনার বিষয়।
এমন পরিস্থিতিতে সুশীল সমাজ মনে করছেন,যাদের মাধ্যমে সামাজিকতার বিভিন্ন বিষয় আমরা জানতে পাই, সেই সাংবাদিকরাই যদি তথ্য অধিকার দিবসের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি আনুষ্ঠানিকতার বিষয় না জানে,তাহলে তথ্য প্রাপ্তির বিষয়টি কতটুকু নিশ্চিত হবে এবং এই দিবস পালনের সার্থকতা কোথায়?