রায়হান ফেরদৌস সজীব রায়হান ট্রেডার্সের মালিক। তাঁর দাবি,বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের সার ডিলারশিপের জন্য সুপারিশে তাঁর নাম দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত মেসার্স বিদ্যানন্দ ট্রেডার্সের মালিক মোস্তফা জামাল ডিলারশিপ পান। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি ফেসবুকে ওই মন্তব্য করেন।
সজীবের অভিযোগ,মোস্তফা জামাল ও তাঁর পরিবার আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিল। তাঁর দাবি,দীর্ঘদিন বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত থাকার পরও তিনি ডিলারশিপ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মেসার্স বিদ্যানন্দ ট্রেডার্সের মালিক মোস্তফা জামাল। তিনি বলেন,এগুলো সব মিথ্যা। আমি ও আমার পরিবার আওয়ামী লীগের সঙ্গে জড়িত ছিলাম না।
ডিলারশিপ পরিচালনা নিয়ে স্থানীয়দের অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা জামাল বলেন, “হারুন উর রশীদ আমার জন্য একটু কথা বলাবলি করছিল। আমার নামে ডিলারশিপ,আর আমি চালাবো। অর্থাৎ ডিলারশিপের ব্যবসা তিনিই পরিচালনা করবেন বলে জানান তিনি।
রায়হান ফেরদৌস সজীবের দাবি,প্রায় ১৭ বছর ধরে তিনি বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত। ২০১১ সালে বিদ্যানন্দ ইউনিয়ন ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক,২০১৩ সালে রাজারহাট উপজেলা ছাত্রদলের কোষাধ্যক্ষ এবং ২০২১ সাল থেকে উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করছেন। ২০২২ সালে ঢাকা মহানগর দক্ষিণের জিয়া মঞ্চের সহসভাপতির দায়িত্বেও ছিলেন বলে জানা গেছে।
সজীব আরও বলেন,আমি একজন জুলাই যোদ্ধা। ১৭ বছর ধরে বিএনপির জন্য এত ত্যাগ স্বীকার করলাম। বিএনপি সরকার ক্ষমতায়,কিন্তু আমি বিএনপি করেও ডিলারশিপ পেলাম না। অথচ আওয়ামী ফ্যাসিস্টরা ডিলারশিপ পায় কিভাবে?”
এদিকে স্থানীয়দের আরও অভিযোগ,ডিলারশিপ মোস্তফা জামালের নামে থাকলেও ব্যবসাটি নিয়ন্ত্রণ করছেন বিদ্যানন্দ ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হারুন উর রশীদ। তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন হারুন উর রশীদ।
তিনি বলেন,সবাই কেন জানি এটাই ভাবতেছে।” তাঁর দাবি,ডিলারশিপের সব কাগজপত্র মোস্তফা জামালের নামে এবং ডিলারশিপও তিনিই পেয়েছেন।
এ বিষয়ে রাজারহাট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তুষার কান্তি রায় বলেন,সরেজমিন তদন্ত করে রিপোর্ট দেওয়া হয়েছিল। সার ডিলারশিপ নিয়োগ কমিটিতে আমিও আছি,আরও অনেকে আছেন। সবার সুপারিশক্রমে যাকে ভালো মনে হয়েছে, তাঁকেই দেওয়া হয়েছে।