বাংলাদেশ

সৈয়দপুরে বীরমুক্তিযোদ্ধাদের দিনব্যাপী অনশন কর্মসূচি পালিত

তোফাজ্জল হোসেন লুতু ,সৈয়দপুর   নীলফামারী

১০ জুলাই ২০২৪


| ছবি: প্রতিনিধিঃ

নীলফামারীর সৈয়দপুরে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ড ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের ব্যানারে   দিনব্যাপী অনশন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। বুধবার (১০ জুলাই) শহরের শহীদ ডা. জিকরুল হক সড়কে স্বাধীনতা ভবনের সামনে স্থাপিত প্রতিবাদ মঞ্চে ওই অনশন কর্মসূচি করা হয়। কুখ্যাত রাজাকার নঈম খান (নঈম গুন্ডা) স্বাধীনতার পক্ষে ভূমিকা রেখেছিলেন মর্মে প্রতিবেদন দাখিলকারী তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তার অপসারণ, স্বাধীনতা ভবনের বর্ধিতাংশে অবস্থিত মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের কার্যালয় ভাংচুর ও দখলের অপচেষ্টাকারী সন্ত্রাসীবাহিনী এবং জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অফিসিয়াল ছবি অবমাননাকারী সন্ত্রাসীবাহিনীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে ওই অনশন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। 
 অনশন কর্মসূচি চলাকালে সেখানে সংক্ষিপ্ত সভায় বক্তব্য দেন বীরমুক্তিযোদ্ধা শামসুল হক সরকার, বীরমুক্তিযোদ্ধা মো. ইউনুছ আলী,  বীরমুক্তিযোদ্ধা একেএম ফজলুল হক,বীরমুক্তিযোদ্ধা মির্জা মো. সালাহউদ্দিন বেগ, বীরমুক্তিযোদ্ধা প্রকৌশলী মো. মোনায়মুল হক,শহীদ পরিবারের সন্তান ইঞ্জিনিয়ার একেএম রাশেদুজ্জামান রাশেদ ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড সৈয়দপুর উপজেলা শাখার আহবায়ক এ্যাডভোকেট মো. সুজা- উদ- দৌল্লা সুজা প্রমুখ।
 অনশন কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে বক্তারা তাদের বক্তব্যে বলেন, নঈম খান (নঈম গুন্ডা) শহরের একজন চিহ্নিত কুখ্যাত রাজাকার ছিলেন। ’৭১-এ  তার ভূমিকা ছিল সম্পূর্ণ মহান মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে। অথচ এক মামলায় একজন তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা রাজাকার নঈম খান স্বাধীনতার পক্ষে ভূমিকা রেখেছিলেন মর্মে প্রতিবেদন দাখিল করেন।  এটি কোন ভাবে মেনে নেয়ার মতো ঘটনা নয় দাবি করে বক্তরা ওই তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তার  বিরুদ্ধে যথাযথ তদন্তসাপেক্ষে আইনি ব্যবস্থা ও অপসারণ দাবি করেন। সেই সঙ্গে শহরের শহীদ ডা. জিকরুল হক সড়কের স্বাধীনতা ভবনের বর্ধিতাংশে অবস্থিত মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের  কার্যালয় ভাংচুর ও দখলের অপচেষ্টাকারী সন্ত্রাসীবাহিনী এবং জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অফিসিয়াল ছবি অবমাননাকারী সন্ত্রাসী বাহিনীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
 অনশন কর্মসূচিতে সৈয়দপুরের বিপুল সংখ্যক  মুক্তিযোদ্ধা ও তাঁর পরিবার এবং শহীদ পরিবারের সদস্যরা অংশ নেন। 

89