একই সংবাদ আরও ২ সাংবাদিকসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় প্রকাশিত হয়। কিন্তু উদেশ্য প্রণোদিতভাবে একাধিক মামলার বাদী কোহিনুর বেগম দৈনিক সকালের বাণীর প্রতিনিধি সাংবাদিক আমিরুল কবির সুজন’র বিরুদ্ধে গত ২৩ জানুয়ারি রংপুর সাইবার ট্রাইব্যুনাল আদালতে মামলার আবেদন করেন। পরবর্তীতে মামলাটি মিঠাপুকুর থানাকে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সংবাদের শিরোনাম এবং এখনকার হয়রানিমূলক এই মামলা প্রমাণ করে সংবাদের সঠিকতা। মূলত উপজেলার খোড়াগাছ ইউনিয়নের রুপসী গ্রামের কোহিনুর বেগম একই গ্রামের ৪টি পরিবার এবং প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা এবং থানায় অভিযোগ দিয়ে হয়রানির অভিযোগে অনুসন্ধানমূলক সংবাদ প্রকাশ করেন সাংবাদিকরা।
কিন্তু সঠিক তথ্য প্রকাশ করায় উল্টো সাংবাদিকের বিরুদ্ধে কোহিনুর বেগম বাদী হয়ে মামলা করেছেন। বিষয়টি গভীর যড়যন্ত্র এবং পেশাদার সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে কন্ঠরোধের অংশ বলে মনে করছেন সাংবাদিকরা।
বিবৃতিতে সাংবাদিক আমিরুল কবির সুজন’র বিরুদ্ধে করা মামলা প্রত্যাহার করার পাশাপাশি কোহিনুর বেগমকে গ্রেফতার এবং তার করা প্রত্যেকটি মামলা এবং থানায় দেওয়া অভিযোগের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান সাংবাদিকরা। অন্যথায় মিঠাপুকুর প্রেসক্লাব এ ব্যাপারে কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে বলে দাবি জানানো হয়েছে।
মিঠাপুকুর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) রফিকুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি নিয়ে বিস্তর তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোন মন্তব্য করা সম্ভব না।