প্রতিষ্ঠান দুটিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পাপিয়া সুলতানা।
অভিযানকালে দেখা যায়, প্রতিষ্ঠান দুটি নীতিমালা লঙ্ঘন করে খুচরা বিক্রেতার কাছে সার বিক্রি করছে। এছাড়া বিক্রির ক্যাশমেমোতে একই মোবাইল নম্বর বিভিন্ন ক্রেতার নামে ব্যবহার এবং কিছু ক্ষেত্রে ভুয়া মোবাইল নম্বর ব্যবহারের প্রমাণ পাওয়া যায়।
এসব অনিয়মের দায়ে সংশ্লিষ্ট আইন অনুযায়ী মেসার্স নুরুল হকের ৩০ হাজার টাকা এবং মেসার্স মোশাররফ হোসেনের ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তানিয়া আকতার সহ একদল পুলিশ সদস্য।
উপজেলা প্রশাসন জানায়, কৃষি উপকরণ বিতরণে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।