1. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
  2. [email protected] : Sokaler Bani : Iqbal Sumon
  3. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
গঙ্গাচড়া বাজারে ড্রেন নির্মাণ কাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ  | দৈনিক সকালের বাণী
বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ০২:১৩ পূর্বাহ্ন

গঙ্গাচড়া বাজারে ড্রেন নির্মাণ কাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ 

গঙ্গাচড়া (রংপুর) প্রতিনিধি
  • আপলোডের সময় : বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২৬
  • ১১৭ জন দেখেছেন
রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলা বাজারে চলমান ড্রেন নির্মাণ কাজে নিম্নমানের বালু ও ইট ব্যবহার, সিডিউল অমান্য এবং প্রশাসনের শিথিল তদারকি অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়রা বলছেন, এভাবে কাজ করলে ড্রেনের স্থায়িত্ব ও কার্যকারিতা ভবিষ্যতে প্রশ্নবিদ্ধ হবে।
সরজমিনে দেখা গেছে, প্রকল্প শর্ত অনুযায়ী সিলেকশন (২.২ F.M) বালু ব্যবহার বাধ্যতামূলক হলেও স্থানীয় ভিটি বালু ব্যবহার করা হয়েছে। ড্রেনের উচ্চতা সংক্রান্ত সিডিউল অনুযায়ী, পুরাতন ড্রেন থেকে ১৫ ইঞ্চি উচ্চতা ঢালাই থাকা উচিত কিন্তু দেখা গেছে ১০ ইঞ্চি এবং ঢালাই দিনের বদলে রাতের অন্ধকারে সম্পন্ন করা হয়েছে। ইট বসানোর সময় ১ ইঞ্চি ফাঁকা রাখার নির্দেশ থাকলেও কিছু স্থানে ২-৩ ইঞ্চি ফাঁকা রাখা হয়েছে।উপ-সহকারী প্রকৌশলী কাজের সঠিক তদারকি না করার অভিযোগও উঠেছে।
হাটবাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক ইউনুস আলী বলেন, বাজারের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ড্রেন নির্মাণ হচ্ছে। কিন্তু শুরু থেকেই নিম্নমানের বালু ও ইট ব্যবহার করলে ভবিষ্যতে সমস্যা দেখা দেবে। আমরা চাই, দ্রুত সঠিক মান বজায় রেখে কাজ শেষ হোক।
ঠিকাদারের সহকারী বাবু মিয়া বলেন, অল্প ইটের কারণে ইটের ভাটায় না গিয়ে নিম্নমানের ইট দিয়ে কাজ করেছি। মিস্ত্রি মনিরও জানিয়েছেন, কোথাও ১০ ইঞ্চি, কোথাও ১১ ইঞ্চি ঢালাই হয়েছে। উপ-সহকারী প্রকৌশলী শাহীন আলম বলেন, বালুটা উনিশ-বিশ হয়ে গেছে, আমি নিম্নমানের ইট ব্যবহার করতে  নিষেধ করেছি, কিন্তু মিস্ত্রি তা ব্যবহার করেছেন। রাতের ঢালাই হয়েছে ওয়ার্ক এসিস্ট্যান্টের তত্ত্বাবধানে কোন সমস্যা নাই। তখন ঠিকাদারের ফোন নাম্বার  চাইলে, তিনি অন্য একজনের নাম্বার দেয়।
কিছুক্ষণ পরে ঠিকাদারের পক্ষ থেকে মনির নামে একজন এসে সাংবাদিককে টাকা দেওয়ার প্রস্তাব দেয় , যা প্রকল্পের স্বচ্ছতা ও দায়িত্বশীলতার জন্য বড় উদ্বেগের। এদিকে, এম.এম. ট্রেডার্সের ঠিকাদার মিজানুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মোবাইল বন্ধ পাওয়া গেছে।
উপজেলা প্রকৌশলী ওবায়দুল রহমান জানান, কাজে অনিয়ম ধরা পড়লে ঢালাই ভেঙে সিডিউল অনুযায়ী পুনরায় কাজ করা হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জেসমিন আক্তার বলেন, কাজে অনিয়ম ধরা পড়লে তদন্ত করা হবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )