1. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
  2. [email protected] : Sokaler Bani : Iqbal Sumon
  3. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
নদীভাঙনে সর্বস্ব হারানো রেজিয়ার পাশে প্রশাসন | দৈনিক সকালের বাণী
বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১২:২৯ পূর্বাহ্ন

নদীভাঙনে সর্বস্ব হারানো রেজিয়ার পাশে প্রশাসন

ফুলছড়ি (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি
  • আপলোডের সময় : মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬
  • ৩০ জন দেখেছেন

উজানের ঢল ও পাহাড়ি বৃষ্টির প্রভাবে গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। এরই মধ্যে তীব্র নদীভাঙনে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় দেখা দিয়েছে চরম দুর্ভোগ। প্রতিদিনই নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে শত শত হেক্টর আবাদি জমি, বসতভিটা ও ঘরবাড়ি। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বালাশী ঘাট সংলগ্ন রসূলপুর গ্রাম, যেখানে অনেক পরিবার রাতারাতি হারিয়েছে তাদের শেষ সম্বল। নদীভাঙনের এমন ভয়াবহ পরিস্থিতির খবর পেয়ে মঙ্গলবার দুপুরে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন গাইবান্ধার জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লা।

এ সময় তিনি নদীভাঙনে সর্বস্ব হারানো রেজিয়া বেগম (৬০) এর খোঁজখবর নেন এবং জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তার হাতে ত্রাণসামগ্রী ও নগদ ৭ হাজার টাকা তুলে দেন এবং নদী ভাঙ্গনের স্থায়ী সমাধানের আশ্বস্ত করেন। পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের দুর্ভোগের কথা শোনেন। ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ফুলছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান, কঞ্চিপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি মিলন মিয়াসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

এ সময় জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লা বলেন, “নদীভাঙন রোধে স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি। ভবিষ্যতে যেন আর কোনো পরিবারের বসতভিটা কিংবা সহায়-সম্বল নদীগর্ভে বিলীন না হয়, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীর সঙ্গে কথা হয়েছে। তিনি আজই নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করবেন এবং দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবেন। জেলা প্রশাসন নদী ভাঙ্গন কবলিত মানুষের পাশে সবসময় রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।”

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, চলমান নদীভাঙনের কারণে প্রতিদিনই নতুন নতুন এলাকা ঝুঁকির মুখে পড়ছে। অনেক পরিবার নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে অন্যত্র চলে যেতে বাধ্য হচ্ছে। তারা দ্রুত নদীভাঙন রোধে কার্যকর ও স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। নদীভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে জেলা প্রশাসনের এই মানবিক উদ্যোগ স্থানীয়দের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি ফিরিয়ে আনলেও, তারা দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই নদীশাসন প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে স্থায়ী সমাধানের অপেক্ষায় রয়েছেন।

 

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )