মঙ্গলবার দুপুরে প্রখর রোদের মধ্যে বারোমাসিয়া নদীর পানিতে নেমে স্বস্তি খুঁজতে দেখা যায় একদল হাঁসকে। কেউ পানিতে ডুব দিয়ে তৃষ্ণা মেটাচ্ছে, আবার কেউ নদীর পাড় ঘেঁষে আপন মনে বিচরণ করছে। শান্ত নদীর পানিতে হাঁসগুলোর এমন স্বচ্ছন্দ বিচরণ যেন তীব্র গরমের মাঝেও প্রকৃতিতে এনে দিয়েছে এক টুকরো প্রশান্তি।
সেই নদীর পাড়ে বাঁধা রয়েছে ছোট ছোট বেশ কয়েকটি ডিঙি নৌকা। নদীর ওপারে সবুজ ফসলের মাঠ। সেই সাথে নীল আকাশের নিচে শান্ত জলরাশি, নৌকা ও হাঁসের দল সব মিলিয়ে ফুটে উঠেছে গ্রামবাংলার চিরচেনা অপরূপ সৌন্দর্য।
স্থানীয়রা জানান, গরম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নদী, খাল ও জলাশয়ের পানিই পশুপাখির স্বস্তির অন্যতম আশ্রয় হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে দুপুরের তীব্র রোদে হাঁসসহ বিভিন্ন জলচর প্রাণীকে নদী ও পুকুরের পানিতে বিচরণ করতে দেখা যায়।
প্রকৃতির এই সহজ-সরল দৃশ্য যেন মনে করিয়ে দেয়—তীব্র গরমের মধ্যেও নদীর জল আর সবুজ প্রকৃতি গ্রামীণ জনপদে এনে দিতে পারে প্রশান্তির পরশ।
কুড়িগ্রামের রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার জানান, বর্তমানে তাপপ্রবাহ নেই, তবে রোদের তেজ কিছুটা বেশি। মঙ্গলবার বিকাল ৩টায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। আগামী বৃহস্পতিবার তাপমাত্রা কমে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।