1. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
  2. [email protected] : Sokaler Bani : Iqbal Sumon
  3. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
গঙ্গাচড়ায় মেডিকেল সনদে জাল স্বাক্ষরের অভিযোগ | দৈনিক সকালের বাণী
শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ০৩:৪৩ পূর্বাহ্ন

গঙ্গাচড়ায় মেডিকেল সনদে জাল স্বাক্ষরের অভিযোগ

গঙ্গাচড়া ( রংপুর) প্রতিনিধি
  • আপলোডের সময় : রবিবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৫
  • ১৫০ জন দেখেছেন

রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে জখমির মেডিকেল রিপোর্টে স্বাক্ষরের অসংগতি ও জাল সনদের অভিযোগে কোর্ট সংশ্লিষ্টদের নোটিশ দিয়েছেন। হাসপাতালের দেয়া সার্টিফিকেট ও বহির্বিভাগীয় রোগীর টিকিটের স্বাক্ষরে একটির সঙ্গে অপরটির অমিল পরিলক্ষিত হয়েছে, যা জালিয়াতি হিসেবে প্রাথমিক ভাবে বিবেচিত হয়েছে। মান্দ্রাইন পূর্বপাড়া এলাকার বাসিন্দা আব্দুস সালাম জানান, তার স্ত্রী নুরজাহান খাতুনকে ২৩ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ভর্তি রেজিস্ট্রেশন নম্বর ১৬৫০/০১।

চিকিৎসা শেষে ছাড়পত্র নেওয়ার পর ২৬ আগস্ট ২০২৫ তারিখে ডাক্তারি সনদপত্র গ্রহণ করা হয়। মেডিকেল রিপোর্ট অনুযায়ী, নুরজাহান খাতুনের আহত স্থান ছিল ডান পারিয়েটাল স্কাল্প, চোটের ধরন লেসারেশন, দৈর্ঘ্য ২ সেমি, এবং আঘাতের সরঞ্জাম তীক্ষ্ণ। তবে বহির্বিভাগের রোগীর টিকিটের স্বাক্ষরের সঙ্গে মেডিকেল সার্টিফিকেটের স্বাক্ষরের কোনো মিল পাওয়া যায়নি।

সার্টিফিকেট প্রস্তুতকারী নাছিমা বেগম সাংবাদিকদের বলেন, ডা. শ্যামলী আক্তার অনেক আগে বদলি হয়ে গেছেন। পরে আমি সার্টিফিকেট প্রস্তুত করে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আবু মো. আলিমুল বাসারকে দিয়েছি। তিনি জানেন কার মাধ্যমে বা কীভাবে স্বাক্ষর করা হয়েছে। এই বিষয়ে ডা. আলিমুল বাসার মুঠোফোনে বলেন, দয়া করে অফিসে আসুন, তারপর বিস্তারিত কথা বলবো। তবে মামলার এক আসামি অভিযোগ করেছেন, আমার কাছে এসআই আশরাফুল মেডিকেল সার্টিফিকেট পক্ষে দেওয়ার কথা বলে টাকা চেয়েছিলেন। আমি টাকা না দেওয়ায় আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা মেডিকেল সার্টিফিকেট দাখিল করেছেন।

আবেদনকারী অভিযোগ করেছেন, এই জাল সনদ আদালতে ব্যবহার করা হয়েছে মামলাটিকে মিথ্যা প্রমাণিত করার উদ্দেশ্যে, যার ফলে এখন তদন্ত বিলম্বিত হচ্ছে এবং বিবাদীরা ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। উল্লেখ্য, বিষয়টি আদালতের সিআর মামলা নং ২৫৯/২৫, তারিখ ০৩/০৮/২০২৫, ধারা দণ্ডবিধি ১৪৩, ৪৪৭, ৩২৩, ৩২৪, ৩০৭, ১৪৭, ৩৫৪, ৩২৬ ও ১১৪-এর সঙ্গে সম্পর্কিত।

এবিষয়ে রংপুর সিভিল সার্জন বলেন, অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্ত কমিটি গঠন করেছি, তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে। তবে এবিষয়ে গঙ্গাচড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা ডা. আবু মো. আলিমুল বাশার মিথ্যা ও বানোয়াট সনদ প্রদানের বিষয়ে বিশেষ কোন মন্তব্য করেননি, শুধু ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দোহাই দিয়ে বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। ।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )