1. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
  2. [email protected] : Sokaler Bani : Iqbal Sumon
  3. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
ভূমি অফিসের ক্যাশিয়ারের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ | দৈনিক সকালের বাণী
বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৯ অপরাহ্ন

ভূমি অফিসের ক্যাশিয়ারের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপলোডের সময় : বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১৮ জন দেখেছেন

রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলা ভূমি অফিসের নাজির/কাম ক্যাশিয়ার এর বিরুদ্ধে ঘুষের বিনিময়ে জমির খাজনা কমিয়ে দেওয়া নামজারী করিতে ঘুষনেয়াসহ নানা দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় একজন ভুক্তভোগী রংপুর জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন।

জনা যায়, গত ৬ আগষ্ট মিঠাপুকুর উপজেলার বৈরাতীহাট খোর্দ্দ নুরপুর গ্রামের খালেকুজ্জামান নামজারী /খারিজ করার জন্য দিলে তার নামজারী খারিজে ভুলবশত অন্য দাগ খতিয়ান লিপিবদ্ধ হয়্। নামজারী খারিজটি সংশোধন করার জন্য মিঠাপুকুর সহকারী কমিশনার (ভুমি) অফিসের নাজির/কাম ক্যাশিয়ার তৌহিদুল ইসলাম নামজারী খারিজটি সংশোধন করার জন্য খালেকুজ্জামানের নিকট ৬ হাজার উৎকোচ গ্রহন করেন।

 

দীর্ঘদিন ধরে নামজারী খারিজটি না করায় নিরুপয় হয়ে খালেকুজ্জামান রংপুর জেলা প্রশাসক বরাবরে গত ৬ আগষ্ট/২০২৬ লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এর আগে মিঠাপুকুর সহকারী কমিশনার (ভুমি) অফিসের নাজির/কাম ক্যাশিয়ার তৌহিদুল ইসলামের নানা দুর্নীতি থাকার কারণে তাকে মিঠাপুকুর থেকে গত ১৭মার্চ/২০২৬ ইং তারিখে রংপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আর এম শাখায় বদলি করা হয়।

তৌহিদুল ইসলাম ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে মিঠাপুকুর সহকারী কমিশনার (ভুমি) অফিসের সার্টিফিকেট কাম পেশকার আরেফিন আরা তুলিকে রংপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আর এম শাখায় বদলি করে আবারো তিনি বদলি নিয়ে ১২ মে/২০২৬ই মিঠাপুকুর সহকারী কমিশনার (ভুমি) অফিসের তৌহিদুল ইসলাম স্বপদে যোগদান করেন।

নাজির/কাম ক্যাশিয়ার তৌহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতসহ নানা দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে । তিনি আবারও মিঠাপুকুর ভুমি আসায় চরম হতাশায় ভুক্তভোগিরা । তাকে মিঠাপুকুর ভুমি অফিস থেকে দ্রুত গতিতে বদলি না করা হলে একদিকে যেমন রাজস্ব ক্ষতি অন্যদিকে সেবা গ্রহীতারা সঠিক সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন জানান, মিঠাপুকুর ভূমি অফিসে মৌখিকভাবে এক রকম খাজনা নির্ধারণ করা হয়, কিন্তু রসিদে দেখানো হয় অনেক কম টাকা।নামজারী খারিজ করতে আসলে বাড়তি টাকা দিতে হয় ক্যাশিয়ারকে।

অভিযুক্ত নাজির /কাম ক্যাশিয়ার তৌহিদুল ইসলামের সাথে মুঠো ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে কে অভিযোগ করেছেন তা আমি জানিনা তাকে আমি চিনিনা কার কাছে অভিযোগ দিয়েছেন তা আমার জানার কথা না।

মিঠাপুকুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃপারভেজ বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। আর আমার কাছে কোন লিখিত অভিযোন কেউ দেননি তারপর এসিল্যান্ডের সাথে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রংপুর জেলা প্রশাসক ইসরাত জাহান বলেন, আমি নতুন এসেছি এই মুহুর্তে বলতে পারছিনা তবে লিখিত অভিযোগ পেলে তা তদন্তে সাপেক্ষে সত্য প্রমাণিত হলে অবশ্যই বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )