সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী উপজেলা শাখার আয়োজনে উলিপুর ইমপাওয়ারমেন্ট হাব কার্যালয়ে এক মত বিনিময় সভায় এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
কুড়িগ্রাম-৩ (উলিপুর) আসনে আলোচিত এই প্রার্থী বলেন, সাংবাদিকরা জাতির দর্পণ। প্রশাসনের পাশাপাশি আপনাদের কাছ থেকেও আমরা ইনসাফ প্রত্যাশা করি। যা সত্য, তাই প্রকাশ করবেন, কারও প্রতি পক্ষপাতিত্ব করবেন না। এতে যদি আমরা একটি ভোটও না পাই, তবুও কোনো আক্ষেপ থাকবে না।
সভায় তিনি দুর্নীতি, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি প্রতিরোধ এবং উলিপুরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। পাশাপাশি সাংবাদিকদের কল্যাণে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দেন।
তিনি পিছিয়ে পড়া উলিপুরের সামগ্রিক উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, নদী কেন্দ্রিক উন্নয়ন, দক্ষ জনবল তৈরি, মেধাবী শিক্ষার্থীদের বাহিরে পড়ালেখার সুযোগ এবং শিল্পখাতের বিকাশে তার বিভিন্ন পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন।
ব্যারিস্টার সালেহী বলেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিতে গণমাধ্যমের দায়িত্বশীল ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে প্রশাসনের পাশাপাশি এই আসনে গণমাধ্যমের পূর্ণ সহযোগিতা কামনা করছি ।
এ সময় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী উলিপুর উপজেলা শাখার ভারপ্রাপ্ত আমীর অ্যাড. কামাল কবির লিটন, সেক্রেটারি মো. তৌহিদুল ইসলাম, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপির) উপজেলা সমন্বয়ক সাখাওয়াত হোসাইনসহ দলীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সভায় বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা অংশ নিয়ে প্রার্থীর কাছে নানা বিষয়ে প্রশ্ন করেন।
এর আগে দ্বৈত নাগরিকের ঘটনায় যাচাই বাছাই শেষে তার মনোনয়নপত্র বাতিল করেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা। বিষয়টি সে সময় ব্যাপক আলোচিত হয়। পরে আপিল করে তার মনোনয়ন ফিরে পান।
১৩টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে কুড়িগ্রাম-৩ (উলিপুর) আসন গঠিত। এ আসনে মোট ভোটার তিন লাখ ৬৮ হাজার ৪৭০। এরমধ্যে পুরুষ এক লাখ ৮৩ হাজার ৬৪, নারী এক লাখ ৮৫ হাজার ৪০৬ জন।
এ আসনে জামায়াতের প্রার্থী মাহবুবুল আলম সালেহী, বিএনপির তাসভীর উল ইসলামসহ ৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন।