রবিবার (৮ মার্চ) সন্ধ্যা ৭ টার দিকে উপজেলার রমনা মডেল ইউনিয়ন পরিষদের ১নং ওয়ার্ডে বজরা দিয়ার খাতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বন্যা আশ্রয়ন কেন্দ্রের একটি দেয়াল ধসে পড়ে এ ঘটনা ঘটে।
আহত শিশু হলেন, জান্নাতি আক্তার (০৯) তিনি উপজেলার রমনা ইউনিয়ন এর টোলোর মোর এলাকায় শাহাজাহান আলীর কন্যা।
সরেজমিন স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, এই স্কুলে শিক্ষার্থীরা সব সময় খেলাধুলা করে। জান্নাতি ও তার ছোট বোন বিকালে স্কুলে বসে ছিল। হঠাৎ দেয়াল ধসে তাদের মাথায় পড়লে জান্নাতি নামের মেয়েটির মাথা ফেটে যায়। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে তার মাথায় সাত টি সেলাই দেয়া হয়। সদ্য নির্মিত স্কুলের ভবন ধসে যাওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তর সুত্রে জানা গেছে, ” অবকাঠামোগত দক্ষতা উন্নয়ন ও তথ্যের মাধ্যমে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠির সহনশীলতা বৃদ্ধি (প্রভাতী)” শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় চিলমারী উপজেলাধীন বজরা দিয়ারখাতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নবনির্মিত ৩ তলা বিশিষ্ট বিদ্যালয় ভবন কাম-ফ্লাড সেল্টার-এর প্রাক্কলিত মূল্য ৩ কোটি ০৪ লক্ষ ১৬ হাজার ১৭৬ টাকা। কাজটি বাস্তবায়ন করেন স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর, কুড়িগ্রাম। গত বছর ০৭ ডিসেম্বর ২০২৫ এ চিলমারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার সবুজ কুমার বসাক ভবনটির শুভ উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনের তিন মাসের মধ্যেই ভবন ধসের এমন ঘটনা এলাকার মধ্যে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
চিলমারী উপজেলা প্রকৌশলী জুলফিকার আলি জানান, আমরা সরেজমিন যাচ্ছি গিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করব।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইউএনও সবুজ কুমার বসাক বলেন, বিষয়টি আমার দৃষ্টি গোচরে আসছে। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সাথে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।