


কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে মাদক বিরোধী ক্যাম্পেইন ও সচেতনতামূলক কর্মসূচিতে মাদক কারবারি হামলায় ১ জন আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় ভূরুঙ্গামারী থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। স্থানীয় ও অভিযোগ সূত্রে জানাগেছে, শুক্রবার ( ৩১ জুলাই) বিকেলে ‘এলাকাবাসী ও সুধিসমাজ’-এর উদোগ্যে উপজেলার তিলাই ইউনিয়নের পশ্চিম ছাট গোপালপুর গ্রামের সরকার পাড়া মাদ্রাসা মোড়ে একটি মাদকবিরোধী ক্যাম্পেইন আয়োজন করা হয়।
তিলাই ইউপি চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান এর নেতৃত্বে ক্যাম্পেইনে এলাকার শতাধিক মানুষ মাদকসেবনকারী ও বিক্রেতাদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে মাদকের কুফল সম্পর্কে সচেতন করেন। এই কর্মসূচি চলাকালীন সময়ে ওই এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী নাছির উদ্দিন (৫২) তার ৩ ছেলে রমজান আলী(৩২), হযরত আলী (২৮) ও কফিল উদ্দিন (২০)
লাঠিসোঁটা নিয়ে ক্যাম্পেইনে অংশগ্রহণকারীদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে মাদকবিরোধী ক্যাম্পেইনের সাথে যুক্ত গোলজার হোসেন (৪৭) নামের এক কর্মী রক্তাক্ত জখম ও গুরুতর আহত হন। আহত ব্যক্তি একই এলাকার মৃত রফাতউল্যার ছেলে।।পরে স্থানীয়রা তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে ভূরুঙ্গামারী হাসপাতালে নিয়ে আসে। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন আছেন।
পরে শুক্রবার রাতেই আহত গোলজার হোসেন মাদক ব্যবসায়ী ওই পরিবারের ৪ জন সদস্য নাছির উদ্দিন (৫২) ও তার ৩ ছেলে রমজান আলী(৩২), হযরত আলী (২৮), কফিল উদ্দিন (২০) এদের নামে ভূরুঙ্গামারী থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।
প্রত্যক্ষদর্শী আমিনুর, আলম, মাসুদ ও আলতাফ জানান, এই পরিবারটি প্রকাশ্যে মাদক ব্যবসা করে। মাদক বিরোধী ক্যাম্পেইনে মাদক ব্যবসায়ীদের এই ধৃষ্টতাপূর্ণ হামলার ঘটনা কোন ভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। এলাকাবাসী অনতিবিক্ষম্বে এই বর্বরোচিত হামলার সাথে জড়িতদের গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
এবিষয়ে তিলাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান
কামরুজ্জামান বলেন, মাদক বিরোধী ক্যাম্পেইন থেকে ফেরার পথে আমার সামনেই এই হামলার ঘটনা ঘটে। যা অত্যান্ত দুঃখজনক ও নিন্দনীয়। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
ভূরুঙ্গামারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিম উদ্দিন বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত পূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।