1. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
  2. [email protected] : Sokaler Bani : Iqbal Sumon
  3. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
বায়ুদূষণ ও তামাক নিয়ন্ত্রণে জোর দিলেন বিশেষজ্ঞরা | দৈনিক সকালের বাণী
সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:০৯ অপরাহ্ন

বায়ুদূষণ ও তামাক নিয়ন্ত্রণে জোর দিলেন বিশেষজ্ঞরা

ঢাকা অফিস
  • আপলোডের সময় : সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১৯ জন দেখেছেন

সুস্থভাবে বেঁচে থাকার জন্য নির্মল বায়ুর বিকল্প নেই। কিন্তু বায়ুদূষণ, ধূমপান ও বিভিন্ন ধরনের তামাকজাত ও নিকোটিন পণ্যের ব্যবহারে মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়ছে মানুষের ফুসফুস। তাই শৈশব থেকে বার্ধক্য পর্যন্ত জীবনের প্রতিটি পর্যায়ে ফুসফুসের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

বিশ্ব ফুসফুস দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা বলেন, ফুসফুসের রোগ প্রতিরোধে শুধু চিকিৎসার ওপর নির্ভর না করে দূষণ নিয়ন্ত্রণ, ধূমপান ও তামাকবিরোধী কার্যক্রম জোরদার, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং রোগ দ্রুত শনাক্ত করার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ‘A Lifetime of Lung Health’ বা ‘আজীবন ফুসফুসের সুস্বাস্থ্য’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে এভারকেয়ার হসপিটাল ঢাকার রেসপিরেটরি মেডিসিন বিভাগের উদ্যোগে রাজধানীর একটি হোটেলে এ গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। দ্য চেস্ট অ্যান্ড হার্ট অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ এবং অ্যারিস্টোফার্মা পিএলসির সহযোগিতায় এ আয়োজন করা হয়।

গোলটেবিল বৈঠকে মডারেটর হিসেবে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এভারকেয়ার হসপিটাল ঢাকার রেসপিরেটরি মেডিসিন বিভাগের সিনিয়র কনসালটেন্ট ও কো-অর্ডিনেটর ডা. এস এম আব্দুল্লাহ আল মামুন।

আলোচনায় বক্তারা বলেন, বায়ুদূষণ ও তামাকের ধোঁয়ার দীর্ঘমেয়াদি সংস্পর্শ ফুসফুসের স্বাভাবিক কার্যক্রমকে ব্যাহত করতে পারে। তাই ফুসফুসের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে ধূমপান ও তামাকজাত পণ্য সম্পূর্ণ বর্জনের পাশাপাশি পরিবেশের বায়ুদূষণ কমাতে কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন।

তারা বলেন, প্রচলিত তামাকপণ্যের পাশাপাশি ই-সিগারেট ও ভেপিংসহ বিভিন্ন নিকোটিন পণ্যের ব্যবহারও ফুসফুসের জন্য ক্ষতিকর। এসব পণ্যের ব্যবহার ও বিস্তার রোধে যথাযথ উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে ফুসফুসের কোনো রোগের লক্ষণ দেখা দিলে দেরি না করে দ্রুত রোগ শনাক্ত করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার ওপরও গুরুত্ব দেন তারা।

বক্তারা আরও বলেন, ফুসফুসের রোগ প্রতিরোধ ও স্বাস্থ্য সুরক্ষায় জনসচেতনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের কাছে সহজবোধ্য, সঠিক ও নির্ভরযোগ্য স্বাস্থ্যতথ্য পৌঁছে দিতে গণমাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। চিকিৎসক, স্বাস্থ্যসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান, নীতিনির্ধারক, গণমাধ্যম ও সাধারণ মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ফুসফুসের স্বাস্থ্যঝুঁকি কমানো সম্ভব।

গোলটেবিল আলোচনায় অংশ নেন বাংলাদেশ চেস্ট অ্যান্ড হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট ও ড্যাবের মহাসচিব ডা. মো. জহিরুল ইসলাম শাকিল, জাতীয় বক্ষব্যাধি হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের পরিচালক এবং চ্যাবের সেক্রেটারি জেনারেল ডা. গোলাম সারওয়ার লিয়াকত হোসাইন ভূঁইয়া, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. ফোয়ারা তাসমিম, এভারকেয়ার হসপিটাল ঢাকার রেসপিরেটরি মেডিসিন বিভাগের সিনিয়র কনসালটেন্ট অধ্যাপক ডা. রৌশনী জাহান ও ডা. জিয়াউল হক।

এ ছাড়া ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের রেসপিরেটরি মেডিসিন বিভাগের সাবেক প্রধান অধ্যাপক ডা. সৈয়দ রেজাউল হক, বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. আদনান ইউসুফ চৌধুরী, বাংলাদেশ মেডিকেল ইউনিভার্সিটির রেসপিরেটরি মেডিসিন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. শামীম আহমেদ, ইউনিকো হসপিটালস পিএলসির রেসপিরেটরি মেডিসিন বিভাগের কনসালটেন্ট ডা. মোহাম্মদ সানা উল্লাহ সরকার, জাতীয় বক্ষব্যাধি হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক ডা. মুহাম্মদ শাখাওয়াত হোসাইন, অ্যারিস্টোফার্মা লিমিটেডের মার্কেটিং অ্যান্ড সেলস বিভাগের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, স্বাস্থ্যবিষয়ক সিনিয়র সাংবাদিক আতাউর রহমান কাবুল এবং চ্যানেল আইয়ের স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট জান্নাতুল বাকেয়া কেকা আলোচনায় অংশ নেন।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ডা. তানিয়া রহমান মিতুল।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )