1. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
  2. [email protected] : Sokaler Bani : Iqbal Sumon
  3. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
দুধকুমার নদের তিনি তীর রক্ষা বাঁধ তিন বছরেও এক ইঞ্চি বাঁধ নির্মাণ হয়নি | দৈনিক সকালের বাণী
শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:০৩ অপরাহ্ন

দুধকুমার নদের তিনি তীর রক্ষা বাঁধ তিন বছরেও এক ইঞ্চি বাঁধ নির্মাণ হয়নি

ভুরুঙ্গামারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি
  • আপলোডের সময় : রবিবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৫
  • ২০০ জন দেখেছেন
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে তিন বছরে এক ইঞ্চি দুধ কুমার নদের তীর রক্ষা বাঁধ নির্মাণ করতে পারেনি এসএ-এসআই প্রা. লি. এন্ড টিআই জেভি নামের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। নির্ধারিত সময়ের মধ‍্যে তীর রক্ষা বাঁধ নির্মাণ না হওয়ায় নদ তীরবর্তী মানুষের মাঝে ভাঙন আতঙ্ক বিরাজ করছে। বাঁধ নির্মাণের নির্ধারিত সময় শেষ হয়েছে। অতিরিক্ত আরও দেড় বছর সময় পেরিয়ে গেছে।এছাড়াও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের লোকজনের বিরুদ্ধে স্থানীয়দের নিকট থেকে টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগও উঠেছে।

জানাগেছে, কুড়িগ্রাম জেলার ভূরুঙ্গামারী উপজেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত দুধকুমার নদের ভাঙন ঠেকাতে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড দুধকুমার নদ ব্যবস্থাপনা ও উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করে। এই প্রকল্পের আওতায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটি গত ২০২২ সালের ১ মে ভূরুঙ্গামারীর তিলাই ইউনিয়নের দক্ষিণ ছাট গোপালপুর গ্রামে ১০ কোটি ২৫ লাখ ৯১ হাজার ৩০ টাকা ব্যয়ে ৫০০ মিটার তীর সংরক্ষণ বাঁধ (প্যাকেজ নম্বর-১০) নির্মাণ কাজ শুরু করে। বাঁধ নির্মাণের নির্ধারিত সময় ধরা হয়ছিল  ১৪ মাস। যা ২০২৩ সালের ২৯ জুন সমাপ্ত হওয়ায় কথা ছিল। বাঁধ নির্মাণ শুরুর পর প্রায় তিন বছর অতিবাহিত হলেও এ পর্যন্ত এক ইঞ্চি বাঁধ নির্মাণ করতে পারেনি ওই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান দুটি।

গতবছর ভাঙন কবলিত ওই স্থানে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান জরুরি ভিত্তিতে কিছু জিও ব্যাগ ফেলে। এরপর বাঁধ নির্মাণের জন্য কিছু সি.সি ব্লক তৈরি করে ফেলে রাখে। পরে গত বছরের মার্চের মাঝামাঝি বাঁধ নির্মাণ শুরু না করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটির লোকজন উধাও হয়ে যায়।

ভাঙন কবলিত এলাকার বীর মুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেন বলেন, তীর রক্ষা বাঁধ নির্মাণ শুরু হলে দুধকুমার নদের তীরে বসবাস করা মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছিল। কিন্তু এক বছর যাবত বাঁধ নির্মাণ বন্ধ থাকায় তীরে বসবাস করা মানুষের মনে এখন ভাঙন আতঙ্ক বিরাজ করছে।

ওই এলাকার জেসমিন বেগম ও মর্জিনা বেগম বলেন, কিছুদিন পড়ে বর্ষা শুরু হবে। এর আগে বাঁধ নির্মাণ শেষ না হলে আমাদের আবারও নদী ভাঙনের শিকার হতে হবে।

ভাঙন কবলিত এলাকার মুদি দোকানী আব্দুল হালিম ও স্হানীয় অধিবাসী  পাপ্পু বলেন, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার বিভিন্ন ভাবে আমাদের  নিকট থেকে বেশ কিছু টাকা নিয়েছে। এখন ফোন দিলে ফোন ধরে না।

মিজানুর রহমান নামের এক স্হানীয় বাসিন্দা বলেন, বাঁধ নির্মাণ কাজ বন্ধ, নদী যদি আবার ভাঙে তাহলে আমাদের কি হবে আমরা কোথায় যাব?

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এসএ-এসআই প্রা. লি. এন্ড টিআই জেভির কেউ প্রকল্প এলাকায় না থাকায় তাদের বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান বলেন, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে নোটিশ পাঠানো হয়েছে। বাঁধ নির্মাণের জন্য তাদের সাথে আলোচনা চলছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )