1. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
  2. [email protected] : Sokaler Bani : Iqbal Sumon
  3. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
হিলি খাদ্য গুদামে কৃষকদের থেকে ধান ক্রয় না করার অভিযোগ | দৈনিক সকালের বাণী
বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৪৬ পূর্বাহ্ন

হিলি খাদ্য গুদামে কৃষকদের থেকে ধান ক্রয় না করার অভিযোগ

হিলি (দিনাজপুর) প্রতিনিধি
  • আপলোডের সময় : মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১৬৮ জন দেখেছেন
দিনাজপুরের হিলি খাদ্য গুদামে কৃষকদের কাছ থেকে ধান ক্রয় না করার অভিযোগ উঠেছে কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। ধান ক্রয়ের সময়সীমা শেষ হলেও কোন ধান সংগ্রহ করেননি ওই কর্মকর্তা। কৃষকরা অভিযোগ করে বলেন, খোলা বাজারে ধানের দাম কম থাকায় তারা ন্যায্য দামের আশায় সরকারি গুদামে ধান বিক্রি করতে আসলে ধান সংগ্রহ না করে তাদেরকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। এতে কৃষকরা বিপাকে পড়েছেন।
তাদের দাবি, তাদের কাছ থেকে ধান সংগ্রহ না করায় ক্ষতির মুখে আছেন কৃষকরা। এদিকে এমন অভিযোগ অস্বীকার করে ওসি এলএসডি বলেন, কয়েকজন কৃষক তার কাছে ধান নিয়ে আসলে ধানের আর্দতা বেশি থাকায় শুকিয়ে নিয়ে আসার কথা বলা হয়েছে।

দিনাজপুর জেলা খাদ্য শস্য হিসেবে খ্যাত। এই জেলার সীমান্তবর্তী উপজেলার কৃষকরা ধানের উপর নির্ভরশীল।  ইতিমধ্যে এই উপজেলার শতভাগ ধান কাটা ও মাড়াই শেষ হয়েছে।  কৃষকের ঘরে ঘরে সোনালী ধানে ভরপুর।ধান সরকারিভাবে ক্রয়ের জন্য ২০শে নভেম্বর থেকে ২৮ ফেব্রুয়ায়ী পর্যন্ত সময়সীমা বেধে দেন সরকার। তবে  নির্বাচনি বছরের কারনে তা পরিবর্তন করে ২১ ডিসেম্বর পযর্ন্ত সময়সীমা বেধে দেয় সরকার। রোপা আমন ধানের এবছরের সরকারিভাবে ধান ক্রয়ের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ৩৪ টাকা কেজি দরে, যা প্রতিমণ দাম ১৩৬০ টাকা।

কয়েকজন কৃষক অভিযোগ করে বলেন, কৃষকেরা তাদের উৎপাদিত ধান নিয়ে বিপাকে পড়েছেন। খোলা বাজারে ধানের দাম কম থাকায় তারা ধানের ন্যায্য দামের আশায় সরকারি গুদামে ধান বিক্রয় করেন। কিন্তু এই বছর গুদাম কর্মকর্তার গাফলতির কারনে কৃষকরা ধান দিতে পারেনি সরকারি গুদামে। কৃষকদের দাবী, তারা সরকারি গুদামে ধান বিক্রি করতে গেলে তাদের কাছ থেকে ধান সংগ্রহ না করে ফিরিয়ে দেন।  এতে তাদের উৎপাদিত ধান বিক্রি নিয়ে হতাশায় কৃষকরা। তারা বলছেন, ইচ্ছে করে তাদের কাছ থেকে ধান ক্রয় করেনি ওই কর্মকর্তা। আমরা তার দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবী জানাচ্ছি।
এদিকে এলএসডি ওসি সাজেদুর রহমান এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমার কাছে  কয়েকজন কৃষক এসেছিলেন ধান দেখাতে সেই ধানগুলো আর্দতা না থাকায় শুকানোর পরে নিয়ে আসতে বলেছিলাম কিন্তু এর মধ্যে ধান সংগ্রহের সময়সীমা শেষ হওয়ায় আর ধান সংগ্রহ করতে পারিনি।

সরকারিভাবে ধান চাল ক্রয়ের জন্য কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করতে প্রতিবছর মাইকিং করা হয় কিন্তু এ বছর মাইকিং করা হয়নি এছাড়াও কৃষকদের কাছ থেকে ধান ক্রয় না করার কারণ জানতে চাইলে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক আতিকুর রহমান দায়সাড়া কথা বলেন যে, কৃষকরা আবেদনের মাধ্যমে গুদামে ধান দিতে পারে তবে কয়েকজন কৃষক আবেদন করলেও কৃষি বিভাগ থেকে আবেদন অনুমোদন না দেওয়ার কারনে তারা ধান ক্রয় করতে পারেনি।

উপজেলা কৃষি অফিস সুত্রে, উপজেলায় এবার রোপা আমনের লক্ষমাত্রা ছিল ৮ হাজার ১শ ১৮ হেক্টর জমিতে। আর অর্জন হয়েছে ৮ হাজার ১শ ১৮ হেক্টর। এবং উৎপাদন লক্ষমাত্রা ছিল ২৭ হাজার ৪শ ২৪ মেট্রিকটন এতে অর্জন হয়েছে ২৭ হাজার ৬শ ৮৬ মেট্রিকট্রন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )