1. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
  2. [email protected] : Sokaler Bani : Iqbal Sumon
  3. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
প্রধান শিক্ষকের গাফলতিতে বৃত্তি পরীক্ষা বঞ্চিত  ১০ শিক্ষার্থী  | দৈনিক সকালের বাণী
সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৩৫ অপরাহ্ন

প্রধান শিক্ষকের গাফলতিতে বৃত্তি পরীক্ষা বঞ্চিত  ১০ শিক্ষার্থী 

চিলমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি
  • আপলোডের সময় : রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১৩৬ জন দেখেছেন

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ১৬ বছর পর অনুষ্ঠিত জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা শুরু হলেও প্রধান শিক্ষকের গাফলতির কারণে প্রবেশ পত্র না পাওয়ায় প্রায় ১০ জন শিক্ষার্থী জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করতে পারেনি।

উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়নের কয়ারপাড় বীর বিক্রম উচ্চ বিদ্যালয়ের এ ঘটনাটি ঘটেছে। স্কুলের পরিক্ষার্থীরা জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তারা দীর্ঘদিন থেকে প্রস্তুতি নিলেও শেষ পর্যন্ত পরিক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারেনি।
কেন্দ্র সচিব ও থানাহাট পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তৈয়ব আলী বলেন, ১৪ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ২৩২ জনের মধ্যে ২২৪ জন পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করেন। কয়ারপাড় বীর বিক্রম , দক্ষিণ খাওরিয়া স্কুল এন্ড কলেজ এবং মুদাফৎ থানা এইচ সি উচ্চ বিদ্যালয়ের কোন পরিক্ষাথী পরিক্ষায় অংশ গ্রহন করেন নি।
অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী নিশাদ বাবু, মেহেদী, সুমাইয়া আক্তার সহ অনেকেই জানায়, আমরা অনেকদিন আগেই বৃত্তি পরিক্ষার ফ্রি দিয়েছি৷ প্রধান শিক্ষক বাড়ি বাড়ি গিয়েও পরিক্ষার ফ্রি নিয়েছেন। পরে আমরা তখন থেকে উপবৃত্তির আশায় প্রস্তুতি ভালোই নিয়েছিলাম। কিন্তু এখন শুনি আমাদের প্রবেশ পত্র আসে নাই। তাই আর পরিক্ষা দিতে পারি নাই। অনেকটাই নিরুৎসাহিত হয়ে পড়েছি, এতদিনের প্রস্তুতি।
অভিভাবক আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, আমার মেয়ের পরিক্ষার ফি নিজে গিয়ে দিয়েছি৷ আজকে সকালে শুনলাম তাদের প্রবেশ পত্র আসে নাই। অনেক দিন থেকে প্রস্তুতি নিচ্ছিল,  প্রধান শিক্ষকের কারণে আজকে তাদের পরিক্ষা দেয়া হলো না।
স্থানীয় আলামিন মিয়া বলেন, প্রধান শিক্ষক কাজটা ঠিক করেনি। এতে করে শিক্ষার্থীরা তাদের মনবল হারিয়ে ফেলবে। পরবর্তিতে তারা ক্ষতির মুখে পরে যাবে।  প্রধান শিক্ষক আমিনুল ইসলাম জানান, বৃত্তির জন্য সিলেক্ট করছি ১০ জন, টাকা নিছি ৪০০ করে নিয়ে নোটিশও ঠিক সময় দেয়া হয়েছে টাকাও ঠিক সময়ে নেয়া হয়েছে। বোর্ডের অনলাইনে টাকা জমা দেয়ার সময় শেষ হয়ে যায়। পরে বোর্ডের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করছি,  যেসব প্রসেস করে আবেদন জমা দিয়েছি পরে হয় নাই।
এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কমকর্তা (ইউএনও) সবুজ কুমার বসাক বলেন, বিষয়টি আমার জানা নাই। তবে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )