1. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
  2. [email protected] : Sokaler Bani : Iqbal Sumon
  3. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
খানসামায় স্কোয়াশ চাষে কৃষকের সাফল্য | দৈনিক সকালের বাণী
রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ০১:১১ অপরাহ্ন

খানসামায় স্কোয়াশ চাষে কৃষকের সাফল্য

খানসামা (দিনাজপুর) প্রতিনিধি
  • আপলোডের সময় : শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১১২ জন দেখেছেন

দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার খামারপাড়া ইউনিয়নের নেউলা গ্রামে এখন আলোচনার কেন্দ্রে একটি সবুজে ঢাকা সবজি ক্ষেত। ক্ষেতটির মালিক স্থানীয় কৃষক রফিকুল ইসলাম। বিদেশি সবজি স্কোয়াশ ‘এক্স এল সুপার’ জাতচাষ করে তিনি শুধু নিজের ভাগ্যই বদলাননি, বরং আশপাশের কৃষকদের মাঝেও নতুন সম্ভাবনার আলো জ্বালিয়েছেন। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের বাস্তবায়নে পরিচালিত দিনাজপুর অঞ্চলের টেকসই কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় উচ্চমূল্যের ফসল উৎপাদন প্রদর্শনী হিসেবে মাত্র ২০ শতক জমিতে এই স্কোয়াশ চাষ শুরু করেন রফিকুল ইসলাম। আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে চাষাবাদ শুরুর অল্প সময়ের মধ্যেই ফলন আসতে শুরু করে। ইতোমধ্যে তিনি দুই দফায় ফলন সংগ্রহ করেছেন।

বর্তমানে প্রতি সপ্তাহে তার ক্ষেত থেকে গড়ে ৬০০ থেকে ৭০০ পিস স্কোয়াশ উত্তোলন করা হচ্ছে। স্থানীয় বাজারে এসব স্কোয়াশ বিক্রি করে প্রতি সপ্তাহে ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত আয় করছেন তিনি। স্বল্প জমিতে এমন আয় এলাকায় বেশ সাড়া ফেলেছে। কারণ, প্রচলিত সবজি চাষে এত অল্প জমি থেকে এত বেশি আয় সাধারণত দেখা যায় না। রফিকুল ইসলাম জানান, কৃষি বিভাগের পরামর্শ ও প্রকল্পের সহায়তাতেই তিনি এই নতুন ফসল চাষে উদ্বুদ্ধ হন। তিনি বলেন, “এ পর্যন্ত আমার খরচ হয়েছে প্রায় ১৫ হাজার টাকা। কিন্তু এরই মধ্যে প্রায় ৩৫ হাজার টাকার স্কোয়াশ বিক্রি করেছি। গাছে এখনও প্রচুর ফল আছে। সামনে আরও ভালো লাভ হবে বলে আশা করছি।”

উপজেলা কৃষি বিভাগ বলছে, স্কোয়াশ একটি পুষ্টিকর ও চাহিদাসম্পন্ন সবজি, যার বাজারমূল্য শহর ও গ্রাম—দুই জায়গাতেই ভালো। উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা শ. ম. জাহেদুল ইসলাম জাহিদ বলেন, “রফিকুল ইসলামের জমিতে ‘এক্স এল সুপার’ জাতের স্কোয়াশের ফলন অত্যন্ত সন্তোষজনক। উন্নত জাতের বীজ, সঠিক সার ও সেচ ব্যবস্থাপনা এবং নিবিড় পরিচর্যার কারণেই এই সাফল্য এসেছে। এই জাত তুলনামূলকভাবে রোগ সহনশীল এবং ফলনকালও দীর্ঘ।” উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ ইয়াসমিন আক্তার জানান, “দিনাজপুর অঞ্চলে টেকসই কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের মূল লক্ষ্যই হলো কৃষকদের আয় বৃদ্ধি এবং একটি টেকসই কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তোলা। অল্প জমিতে বেশি উৎপাদন সম্ভব—এটাই এই প্রকল্পের বড় শক্তি। স্কোয়াশের মতো উচ্চমূল্যের ফসল চাষে কৃষকরা আগ্রহী হলে পুরো অঞ্চলের সবজি উৎপাদন ও আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নয়ন ঘটবে।”

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )