1. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
  2. [email protected] : Sokaler Bani : Iqbal Sumon
  3. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
হিলিতে সাংবাদিকদের ইউএইচএফপিওকে ‘স্যার’ বলে বাধ্যবাধকতার অভিযোগ | দৈনিক সকালের বাণী
সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ১২:৩৭ পূর্বাহ্ন

হিলিতে সাংবাদিকদের ইউএইচএফপিওকে ‘স্যার’ বলে বাধ্যবাধকতার অভিযোগ

হিলি (দিনাজপুর) প্রতিনিধি
  • আপলোডের সময় : রবিবার, ৫ জুলাই, ২০২৬
  • ৪৪ জন দেখেছেন

দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার কার্যালয়ে সংবাদের সংগ্রহ করতে গিয়ে এক সাংবাদিককে ‘স্যার’ বা ‘মহোদয়’ বলে সম্বোধন করতে হবে বলে মন্তব্য করার অভিযোগ উঠেছে।

রবিবার সকাল ১১টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি স্থানীয় সাংবাদিক মহলে আলোচনার সৃষ্টি করেছে। জানা গেছে, একাত্তর টেলিভিশনের হিলি প্রতিনিধি ছামিউল ইসলাম আরিফ তথ্য ও সাক্ষাৎকার নিতে যান উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মুহাম্মদ তানভীর হাসনাত রবিনের কার্যালয়ে।

এ সময় তিনি সাংবাদিককে দাপ্তরিক শিষ্টাচার বা ‘অফিস ডেকোরাম’ সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে জানান, সাক্ষাৎকার বা তথ্য নিতে এলে তাকে ‘স্যার’ অথবা ‘মহোদয়’ বলে সম্বোধন করতে হবে। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি বলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা একই গ্রেডের কর্মকর্তা। ইউএনওকে যেহেতু সবাই ‘স্যার’ বলে সম্বোধন করেন, তাই পেশাগত সৌজন্যের অংশ হিসেবে তাকেও একইভাবে সম্বোধন করা উচিত।

এ বিষয়ে সাংবাদিক ছামিউল ইসলাম আরিফ জানান, মফস্বলে কর্মরত সাংবাদিকরা সাধারণত পারস্পরিক সম্মান ও আন্তরিকতার ভিত্তিতে সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে পেশাগত যোগাযোগ বজায় রাখেন। অতীতে এ দপ্তরে দায়িত্ব পালনকারী একাধিক কর্মকর্তার কাছ থেকে নিয়মিত তথ্য ও সাক্ষাৎকার নেওয়া হলেও কখনো ‘স্যার’ বা ‘মহোদয়’ বলে সম্বোধন করাকে বাধ্যতামূলক করা হয়নি।

তিনি আরও বলেন, “সাংবাদিকের কাজ হলো জনস্বার্থে তথ্য সংগ্রহ করা। সম্বোধনের বিষয়টি পারস্পরিক সৌজন্যের অংশ হতে পারে, কিন্তু তথ্য দেওয়ার শর্ত হিসেবে নির্দিষ্ট সম্বোধনের দাবি করা অযৌক্তিক নয় বরং অপেশাদারিত্ব। ঘটনার বিষয়ে বক্তব্য জানতে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মুহাম্মদ তানভীর হাসনাত রবিনের মুঠোফোনে গণমাধ্যম কর্মীরা একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

ফলে এ বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। দিনাজপুর ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ডা: মোঃ গোলাম রসুল রাখি বিষয়টি দুঃখজনক উল্লেখ করে বলেন, সরকারি কর্মকর্তাকে স্যার বা মহোদয় বলে সম্বোধন করার কোন বাধ্য বাধকতা নেই। কে কিভাবে সম্বোধন করবে সেটা একান্তই তাদের ব্যাপার। এ ঘটনায় স্থানীয় সাংবাদিকদের মধ্যে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। অনেকের মতে, সরকারি কর্মকর্তা ও সাংবাদিক উভয়েই নিজ নিজ পেশাগত দায়িত্ব পালন করেন।

পারস্পরিক সম্মান বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ হলেও নির্দিষ্ট সম্বোধনকে বাধ্যতামূলক করার দাবি প্রশাসনিক শিষ্টাচারের সঙ্গে কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ, সে প্রশ্ন উঠেছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )