


নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার খালিশা চাপানী ইউনিয়নের চারঘড়ি চাপানী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এক কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থীকে দিয়ে সহকারী শিক্ষিকার শরীর ম্যাসাস করিয়ে নেয়ার ঘটনায় কাজলী আক্তার নামের সেই শিক্ষিকার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হয়েছে। মঙ্গলবার(৭ জুলাই)বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা(ভারপ্রাপ্ত)রবিউল ইসলাম।
এর আগে এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে জেলা জুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়।পরে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকসহ সংশ্লিষ্টদের কারণ দর্শানোর নোটিশ(শোকজ)দিয়েছিলেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ।ভাইরাল ওই ভিডিওতে দেখা যায়, বিদ্যালয় চলাকালীন সময়ে অফিস কক্ষে সহকারী শিক্ষিকা কাজলী আক্তার একটি বিছানায় শুয়ে এক কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থী দ্বারা তার শরীর ম্যাসাস করিয়ে নিচ্ছেন।সেই কক্ষে অপর দুই সহকারী শিক্ষিকা মনি আক্তার ও ওয়াহিদা জান্নাত মুনমুনও ছিলেন।
তাদের একজন পায়ের উপড় পা উঠিয়ে দিয়ে চেয়ারে বসে মোবাইল দেখছেন ও অপরজন চেয়ারে বসে আছেন।বিষয়টি নিশ্চিত করে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা(ভারপ্রাপ্ত)রবিউল ইসলাম বলেন, ওই শিক্ষিকার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা রুজু করা হয়েছে।আগামী ১০ কার্যদিবসের মধ্যে তাকে সন্তোষজনক জবাবের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জবাব পেলে বিধি অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।